আবার

42

মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে অবস্থিত জমিদার বাড়ির সামনে ধারণ করা ইত্যাদির একটি বিশেষ পর্ব আবার প্রচার হবে আজ রাত ৯টায়। ২০১০ সালে প্রথম প্রচার হয়েছিল এ পর্বটি। বিষয় বৈচিত্র্যে ভরা এই পর্বে বগুড়া জেলার কবি নজরুল ইসলাম সড়কে অবস্থিত আকবরিয়া গ্র্যান্ড হোটেলের উপর রয়েছে একটি মানবিক প্রতিবেদন। যারা বংশানুক্রমে তাদের ব্যবসার আয়ের একটা অংশ দরিদ্র ও দুস্থ মানুষদের জন্য ব্যয় করে আসছেন। রয়েছে মুন্সীগঞ্জের সাত্রাপাড়া গ্রামের মো. রহমতউল্লাহ খান আনোয়ারের উপর প্রতিবেদন। যিনি তার বাড়ির ব্যবহার্য প্রায় প্রতিটি জিনিসই নিজে নকশা করে নিজের হাতেই বানিয়েছেন। শিক্ষা গ্রহণের কোনো বয়সসীমা নেই। যেকোনো বয়সেই যে শিক্ষা গ্রহণ করা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের তেমনি একটি পরিবারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে এবারের অনুষ্ঠানে। বগুড়ার ধুনটের প্রতিবন্ধী যুবক কফিলউদ্দিনের ওপর রয়েছে একটি মর্মস্পর্শী প্রতিবেদন। বিদেশি প্রতিবেদন করা হয়েছে অষ্টাদশ শতাব্দীতে বাংলার নবাবদের আবাসস্থল পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে। অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের কথা ও আলী আকবর রূপুর সুরে গান পরিবেশন করেন ফোক সম্রাজ্ঞী মমতাজ। এ অনুষ্ঠানে সংকলিত হয়েছে মো. আবদুল জব্বার, সৈয়দ আবদুল হাদী, এ্যান্ড্রু কিশোর ও কুমার বিশ্বজিৎ পরিবেশিত একটি দেশের গান। গানটির চিত্রায়ণ করা হয়েছে বেশ কয়েকটি জেলায়। এই গানটিও লিখেছেন মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান এবং সুর করেছেন আলী আকবর রূপু। ইত্যাদির এই পর্বে দর্শক বাছাই করা হয়েছে আমন্ত্রিত দর্শকদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ দিয়ে। রয়েছে মামা-ভাগ্নে, নানী-নাতি, চিঠিপত্রসহ বিভিন্ন সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে বেশ ক’টি নাট্যাংশ। ‘ইত্যাদি’ রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। একযোগে পুনঃপ্রচার হবে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে। অনুষ্ঠানটি স্পন্সর করেছে কেয়া কস্‌মেটিকস্‌ লিমিটেড।