“আমাকে ছাড়ার জন্য রিয়ালের প্রায় পায়ে ধরতে হয়েছিল”

37

২০১০ থেকে ২০১৩- চার বছর স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে ছিলেন হোসে মরিনহো। সেখানে খুব একটা সফল ছিলেন না পর্তুগিজ এ কোচ। এক লা-লিগা, এক কোপা দেল রে ও এক স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা জেতেন তিনি। চার বছর অপেক্ষার পর রিয়ালতে লা-লিগার শিরোপা জেতান মরিনহো। শিরোপা জেতার পর চার বছরের নতুন চুক্তি করেছিলেন। কিন্তু ঠিক পরের মৌসুম শেষেই অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবে রিয়ালকে বিদায় বলে দেন হোসে মরিনহো। এতদিন জানা যাচ্ছিল যে, ব্যর্থতার জেরে মরিনহোকে ছাটাই করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। কিন্তু এতদিন পর এ বিষয়ে মুখ খুললেন মরিনহো। বলেন, রিয়াল তাকে ছাড়তে চায়নি। কিন্তু সে নিজের ইচ্ছায় অনেক জোর করে রিয়াল ছাড়েন। রিয়াল ছাড়ার জন্য নাকি রীতিমত কর্তৃপক্ষের প্রায় পায়ে ধরতে হয়েছিল তাকে। ২০১২-১৩ মৌসুমকে নিজের ক্যারিয়ারের ‘সবচেয়ে বাজে’ মৌসুম হিসাবে বলেছিলেন মরিনহো। চুক্তি শেষ হওয়ার আগেই মাদ্রিদ ছাড়ায় অনেক সমালোচনাও শুনতে হয়েছিল। তবে এতদিন পর বর্তমানে ম্যানরচেস্টার ইউনাইটেডের কোচ মরিনহো বললেন, ‘সত্যি বলতে, মাদ্রিদ আমাকে ছাড়তে চায়নি। ক্লাবের প্রেসিডেন্ট, বোর্ড কর্মকর্তা কেউই এটা চাননি। আগের কয়েক বছর ক্লাবের পেছনে আমরা সবাই যে পরিশ্রম দিয়েছি সেটার জন্যই হয়তো এমনটা হয়েছে। কঠিন পরিস্থিতি আমরা আগেই পার করে এসেছিলাম।’ সবার অনুরোধের পরও অনেকটা জোর করেই মাদ্রিদ ছেড়েছিলেন বলে দাবি মরিনহোর, ‘আমি অনেকটা জোর করেই মাদ্রিদ ছেড়েছিলাম। এটার জন্য আমার তো রীতিমতো তাদের হাতে-পায়ে ধরতে হয়েছিল এটার জন্য! ইউনাইটেডে এরকমটা হবে না। কারণ আমি ইউনাইটেড ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে চাই না।’ গত মৌসুমে ইউরোপা লীগের শিরোপা জেতায় আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লীগে খেলবে ইউনাইটেড। রিয়ালের পর তিনি দ্বিতীয় দফায় ইংলিশ ক্লাব চেলসির দায়িত্ব নেন। সেখান থেকে গত মৌসুমে যোগ দেন ইংল্যান্ডের আরেক ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। গত মৌসুমে ক্লাবটিতে তিনি তিন শিরোপা জিতিয়েছেন। সেগুলো হলো- কমিউনিটি শিল্ড, লীগ ও ইউরোপা লীগ।