ঈদে হৈমন্তীর নতুন গান

74

হৈমন্তী রক্ষিত, পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ার সময়ই জীবনের প্রথম গানের অ্যালবাম প্রকাশ হয় তার। সেই থেকে আজ পর্যন্ত বাজারে তার ছয়টি একক অ্যালবাম বের হয়েছে। হৈমন্তীর গান যারা একবার শুনেছেন, তারই মুগ্ধ হয়েছেন। ঠিক যেমনটি হয়েছিলেন প্রয়াত বরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। তার গান শুনেই তিনি তার ‘কোথায় আছো কেমন আছো’ চলচ্চিত্রে হৈমন্তীকে দিয়ে মুনশী ওয়াদুদের কথায় ও শেখ সাদী খানের সুর-সংগীতে ‘আমি এতো সুখী হবো’ গানটি গাওয়ার সুযোগ দিয়েছিলেন। আর এটিই ছিলো হৈমন্তীর এখন পর্যন্ত শেষ প্লে-ব্যাক। এরপর আর প্লে-ব্যাক করার সুযোগ পাননি তিনি। তবে প্লে-ব্যাকে না থাকলেও গেলো ঈদে হৈমন্তীকে প্রিন্স মাহমুদের কথা ও সুরে তার ষষ্ঠ একক অ্যালবাম ‘প্রথম প্রেম’র দুটি গানে পাওয়া যায় ইউটিউবে। মিউজিক ভিডিও সহ পাওয়া যায় ‘অজস্র রাত’ এবং শুধু অডিও পাওয়া যায় ‘প্রথম প্রেম’ গানটির। দুটি গানেই হৈমন্তীর গায়কী চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। তার গায়কীতে মুগ্ধ হয়েছেন শ্রোতা দর্শক। আগামী ঈদেও এই অ্যালবামের নতুন একটি গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন তিনি। অপ্রকাশিত ‘ফাগুন’, ‘বহুদূরে’ ও ‘বৃষ্টি’ এই তিনটি গানের একটি তিনি কোরবানীর ঈদে প্রকাশ করবেন। হৈমন্তী বলেন, গানের ব্যাপারে আমি সবসময়ই ভীষণ চুজি। যে কারণে খুব ধীরে ধীরেই এগিয়ে যেতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আমার গান যদি কারো ভালোলাগে সেটাই আমার অনেক শান্তির আর অর্জনের বিষয় বলে মনে হয়। আমি মনেপ্রাণে একজন সংগীতশিল্পী। গানই আমার আরাধনা, গানই আমার সাধনা। পথ চলতে গিয়ে শুধু সবার দোয়া আর সংগীতাঙ্গনের সবার সহযোগিতা চাই। একজন শুদ্ধ সংগীতশিল্পী হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। হৈমন্তীর গানে হাতেখড়ি ছোটবেলায় ওস্তাদ বাণী কুমার চৌধুরীর কাছে। উচ্চাঙ্গ সংগীতে তালিম নিয়েছেন তিনি নিরোদ বরণ বরুয়ার কাছে। পঞ্চম শ্রেণীতে থাকাবস্থায় ‘ডাকপিয়ন’ নামের প্রথম একক অ্যালবাম বাজারে আসে তার। এরপর ‘মনে পড়ে তোমাকে’, ‘প্রেমের ছোঁয়া’, ‘স্মৃতির ক্যানভাস’, ‘ফিরে দেখা’ একক অ্যালবাম বাজারে আসে। তিনি প্রথম প্লে-ব্যাক করেন শাহআলম কিরণের নির্দেশনায় ‘সাজঘর’ চলচ্চিত্রে মুনশী ওয়াদুদের কথা ও ইমন সাহার সুর সংগীতে। এখন পর্যন্ত ১৫টি চলচ্চিত্রে তিনি প্লে-ব্যাক করেছেন।