এই ঈদে যাতে সিএনজি ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য না হয়

94

শেরপুরে বর্তমানে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম বাহন হচ্ছে সিএনজি অটোরিকশা । শেরপুর সদর সহ ৫ টি উপজেলার আনাচে কানাচে সিএনজির প্রতিই নির্ভরশীলতা বেশি । যাত্রীরা বছরের অন্যান্য সময় মোটামুটি  স্বাচ্ছন্দ্যে চললেও বছরের দুই ঈদে এই সিএনজিই হয়ে ওঠে নাভিশ্বাসের মূল কারন । ঈদের সপ্তাহ আগে থেকে শুরু করে ঈদের পরের সপ্তাহ পর্যন্ত মোট  ২০ দিন  নির্দিষ্ট গন্তব্যের ভাড়া বেড়ে যায় অন্তত তিনগুন। চালকরা যাত্রীদের জিম্মি করে তাদের খেয়াল খুশিমতো ভাড়া নির্ধারণ করে । সবচাইতে খারাপ অবস্থা থাকে শেরপুর শহরের খোয়ারপাড় নামক সিএনজি স্ট্যান্ডে। খোয়ারপাড় এমন একটি জায়গা যেখানে নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, শ্রীবরদী, বক্সীগঞ্জ থানার মানুষের পদচারনা পড়বেই। যাত্রীদের প্রাচুর্যতার ফলে এখানেই গড়ে উঠেছে জেলার সবচাইতে বড় সিএনজি স্ট্যান্ড। দেশের নানা প্রান্তথেকে ঘরমুখো মানুষেরা এই স্ট্যান্ডে আসলেই চালকদের ইচ্ছেমতো ভাড়ার কাছে জিম্মি হতে হয়। গত কুরবানীর ঈদেও দেখা গিয়েছে, শেরপুর থেকে শ্রীবরদীর ভাড়া যেখানে জনপ্রতি ৩৫ টাকা, সেখানে ৮০ কিংবা ক্ষেত্র বিশেষে ১০০-১২০ টাকাও গচ্চা দিতে হয়েছে সাধারন যাত্রীদের । এই একই অবস্থা নালিতাবাড়ী, নন্নী, তিনানী, ঝিনাইগাতী কিংবা কুরুয়া  এর যাত্রীদের  বেলাতেও ঘটেছে।

এ ব্যপারে সিএনজি চালকদের সাথে কথা বললে তারা ‘ঈদের বাজার’ কিংবা ‘সিএনজি গ্যাস’ এর অপ্রতুলতার দোহাই দেন।এই ঈদে যাতে ঘরমুখো যাত্রীদের এই নৈরাজ্যের শিকার হতে না হয়, ঈদ উপলক্ষে ভাড়া বাড়লেও তা যেন অন্যান্যবারের মতো লাগামছাড়া না হয়ে সুনির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে থাকে এজন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করি।

 

লেখকঃ আসিফ শাহনেওয়াজ তুষার

সিটি ডেস্ক এডিটর, শেরপুর নিউজ ২৪ ডটকম।