খুলনার ইনিংস ব্যবধানে জয়ের সম্ভাবনা

22

জাতীয় ক্রিকেট লীগের (এনসিএল) পঞ্চম রাউন্ডে ছিল বৃষ্টির হানা। তাই মাঠে খেলার সুযোগ পেয়ে দারুণ দাপট দেখাতে শুরু করেছিল ব্যাটসম্যানরা। সেই দাপটেই কিনা এই রাউন্ডে দুটি ম্যাচ এখন প্রায় ড্রর পথে। এমনকি সুযোগ আছে সবগুলো দলেরই ড্র করার। তৃতীয় দিন শেষে চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী ও রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়াম ছাড়া ফলাফলে আভাস মিলছে না বাকি দুই ভেন্যুতে। খুুলনার রয়েছে ইনিংস ব্যবধানে জয়ের সম্ভাবনা। তবে বরিশাল ব্যাট হাতে প্রতিরোধ গড়ে তুললে শেষ দিন জয় পাওয়া কঠিন হবে। এছাড়াও ঢাকা মেট্রোর সামনেও রয়েছে সিলেটের বিপক্ষে জয়ের সুযোগ। এ জন্য অবশ্য আশরাফুলের দলকে শেষ দিনে দারুণ ব্যাটিং নৈপুণ্য দেখাতে হবে। আগের চার রাউন্ডে ১৬ ম্যাচের মধ্যে জয়-পরাজয়ে নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ৪টি ম্যাচ। বাকি ১২টি ম্যাচই ছিল ড্র।
রাজশাহীতে খুলনার প্রথম ইনিংসে করা ৫১১ রানের জবাবে বরিশাল থেমেছে ২৯৬ রানে। ফলো-অনে পড়ে দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে করেছে ১০৯ রান। ইনিংস ব্যবধানে হার বাঁচাতে সোমবার শেষদিনে তাদের করতে হবে ১৩৫ রান।
ড্রর পথে রংপুর ঢাকার ম্যাচ
খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে রংপুরের ৫৬০ রানের জবাবে ৬ উইকেটে ২৯৫ রান তুলে তৃতীয় দিন শেষ করেছে ঢাকা বিভাগ। এখনো রংপুরের চেয়ে ২৬৫ রানে পিছিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দলটি। তবে শেষ দিন তারা শেষ চার উইকেটে আরো বড় সংগ্রহ করলে এ ম্যাচে আর ফলাফল আশা করা কঠিন।
বিপদে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ
বগুড়ায় রাজশাহীর বিপক্ষে ধুঁকছে চট্টগ্রাম বিভাগ। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিংয়ে সুবিধা করতে পারেনি দলটি। প্রথম ইনিংসে ২৬০ রানে অলআউট হওয়া চট্টগ্রামের দ্বিতীয় ইনিংসে সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১০৯ রান। প্রথম ইনিংসে রাজশাহী সংগ্রহ করেছিল ৪০৩ রান। চট্টগ্রাম এখনো পিছিয়ে ৩৪ রানে।
অন্যদিকে চট্টগ্রামে সিলেট বিভাগের করা ৩১৯ রানের জবাবে ঢাকা মেট্রো গুটিয়ে গেছে ২৫৯ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে তৃতীয় দিন শেষে সিলেটের সংগ্রহ ৮ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ রান। সেই সুবাদে সিলেটের লিড এখন ২৩৬ রানের। তাই মেট্রোর সামনে এই ম্যাচ জয়েরও সুযোগ আছে।