জিয়া চ্যারিটেবল মামলা “চার সাক্ষীকে জেরার অনুমতি”

25

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় চার সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। খালেদার আইনজীবীদের করা আবেদনের শুনানি শেষে গতকাল বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আবেদন মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন। আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া। দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। খালেদার আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া সাংবাদিকদের জানান, এ মামলার ৩৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। ৩২ জনের মধ্যে ছয় সাক্ষীর জেরা সে সময় ডিক্লাইন (জেরা করতে অস্বীকার করা) করা হয়েছিল। পরে অন্য সাক্ষীদের জেরার পর্যায়ে আমাদের মনে হয়েছিল, ওই পাঁচ সাক্ষীকেও জেরা করা প্রয়োজন। আদালত আমাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৬, ১২, ১৩ ও ১৭ নম্বর সাক্ষীকে জেরা করার অনুমতি দিয়েছেন।
এ মামলার পাঁচ সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হারুনুর রশিদকে নতুন করে জেরা করার জন্য গত ৮ই জুন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামানের কাছে আবেদন করেছিলেন খালেদার আইনজীবীরা। শুনানি শেষে আদালত তা খারিজ করে দেন। এরপর হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ই আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুদক। ২০১২ সালের ১৬ই জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চারজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরের বছর ১৯শে মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্যদিয়ে এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়। খালেদা জিয়া ছাড়া এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন খালেদার সাবেক একান্ত রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (পলাতক), বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং বিএনপি নেতা ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।