জৈবিক ঘড়ি গবেষণায় চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল

36

মানবদেহের জৈবিক ঘড়ি কিভাবে কাজ করে তা নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে এ বছর চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন তিন মার্কিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন- জেফ্রি হল, মাইকেল রোজব্যাশ ও মাইকেল ইয়ং। গবেষণায় তারা ব্যাখ্যা করেছেন, দেহের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি নিয়ন্ত্রণের নেপথ্যে অণুগুলো কিভাবে কাজ করে। মার্কিন তিন বিজ্ঞানী গুরুত্বপূর্ণ এই গবেষণার ফলে ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে কি কারণে দীর্ঘ বিমান ভ্রমণের কারণে মানব দেহ ক্লান্ত অনুভব করে। এছাড়া, অনিদ্রা থেকে শুরু করে বিষণ্নতা, এমনকি হৃদরোগের কার্যকরণ অনুধাবনে এ গবেষণা অবদান রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, এই তিন বিজ্ঞানীর আবিষ্কারের ফলে ক্রোনোবায়োলজি বা বায়োলজিক্যাল ক্লক বিষয়ে আরো গবেষণার আগ্রহ সৃষ্টি করবে।
নোবেল কমিটির সেক্রেটারি থমাস পার্লম্যান বলেন, ‘এ বছরের নোবেল লরিয়েটরা আমাদের শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি কিভাবে কাজ করে সে রহস্য সমাধান করেছেন। দেখিয়েছেন, কিভাবে তা দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় বিভিন্ন তারতম্যের সঙ্গে মানিয়ে নেয়। দিন ও রাতের পরিবর্তনে আমাদের আচরণ ও শারীরিক স্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।’
নোবেল জয়ী তিন বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, নোবেল জয়ের কথা তারা প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেন নি।
নোবেল জয়ীরা ৯০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা প্রাইজমানি ভাগাভাগি করবেন। এছাড়া প্রত্যেকে তাদের নামখচিত একটি মেডেল পাবেন।
প্রসঙ্গত, প্রতিবছর সর্বপ্রথম ঘোষণা করা হয় চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল জয়ীদের নাম। এরপর ধাপে ধাপে অর্থনীতি,  পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য ও শান্তিতে নোবেল জয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
১৯০১ সাল থেকে নোবেল দেয়া শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পেয়েছেন ২১১ জন বিজ্ঞানী।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

সূত্র : মানবজমিন অনলাইন পত্রিকা