ঝিনাইগাতীতে ওএমএসের চাল কিনতে ভিড়, চাল অপ্রতুল

33

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় ওএমওস’র চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। কিন্তু প্রাপ্ত ওএমএস’র চাল দিয়ে চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এমনিতে দরিদ্রপ্রবন এই উপজেলায় চালের দামের উর্ধগতির কারণে মানুষের চালের সংস্থান করা দুরূহ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যার ফলে ভীড় বাড়ছে ওএমএস’র চালের দোকানগুলোতে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্রেতারই হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে চালের অপ্রতুলতার কারণে।
ঝিনাইগাতী উপজেলার মানুষ বেশিরভাগ নির্ভর করে ধানের আবাদের উপর। কিন্তু এবার বন্যা, পাহাড়ী ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারোপর শিল্পকারখানা না থাকায় শ্রম বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহেরও কোন পথ নেই। এ অবস্থায় চালের মূল্যবৃদ্ধিতে উপজেলার নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনধারণ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উপজেলা সদরে ৩জন ওএমএস ডিলারের মাধ্যমে খোলাবাজারে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। কিন্তু বেশিরভাগ দোকানেই ক্রেতাদের ভিড় বেশি থাকায় দুপুরের মধ্যেই সব চাল বিক্রি হয়ে যাচ্ছে এবং বাকীরা চাল না কিনে খালি হাতে ফেরত যাচ্ছেন।
এ ব্যাপারে ওএমএস ডিলার আ. রহিম জানান, ‘সপ্তাহে ৬দিন মাথাপিছু ৫ কেজি করে চাল দেয়া হচ্ছে। প্রতিদিন ডিলার প্রতি বরাদ্দ হচ্ছে ১টন। ফলে ৫ কেজি হিসাবে ২শ জনের মতো লোকের কাছে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু ক্রেতাদের সংখ্যা এত বেশি যে, দুপুরের মধ্যেই প্রাপ্ত সব চাল বিক্রি শেষ হয়ে যায়। ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষ ফেরত যায় চাল না পেয়ে।’
ওএমএসের দোকানে চাল কিনতে আসা ক্রেতাদের সাথে আলাপকালে তারা প্রায় সকলেই বলেন, গরিব মানুষদের বাঁচানোর জন্য ওএমএস’র চালের পরিমান এবং সাথে ডিলারে সংখ্যাও বাড়ানো উচিত। দোকান ও চালের পরিমান বাড়লে হয়তো আরো বেশি মানুষ কম দামে চাল কিনতে পারতেন।