ঝড়ে উপড়ে বটগাছ অপসারণ হয়নি, বিধ্বস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা যাচ্ছে না

28

শেরপুরের ঝিনাইগাতীর কাংশা ইউনিয়নের বাকাকুড়া বাজারে ঝড়ে উপড়ে পড়া একটি বটগাছ গত ৪ মাসেও অপসারণ করা হয়নি। এর ফলে বিশাল আকারের শতবর্ষী এই বটগাছের নিচে চাপা পড়া দোকানপাটগুলো মেরামত করে পুনরায় ব্যবসা চালু করা সম্ভব হচ্ছে না।

কাংশা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মিষ্টার আলী জানান, গত ২৯ মার্চ ঝড়ে গাছটি উপড়ে পড়ে। ডেফলাই হয়ে বাকাকুড়া বাজারের মাঝ দিয়ে গজনী অবকাশ সড়ক গেছে। ওই সড়কের ওপর গাছটি ও সড়কসংলগ্ন ৩টি দোকানের ওপর পড়ে ২টি দোকান পুরো বিধ্বস্ত এবং অপরটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে যখন গাছটি উপড়ে পড়ে, তখন দোকানে কেউ না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তা ছাড়া সড়কজুড়ে গাছটির একটি ডাল পড়ে থাকায় যানবাহন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। মানুষের চলাচলও দুষ্কর হয়ে পড়ে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে বিষয়টি জানানোর পর সড়কের ওপরে পড়ে থাকা ডালটি অপসারণের জন্য মৌখিক নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশের পর সড়কের উপর পড়ে থাকা ডালটি কেটে অপসারণ করে মানুষের চলাচলের জন্য উপযোগী করা হয়। কিন্তু সম্পূর্ণ গাছটি চার মাসের অধিক সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো অপসারণ করা হয়নি।
ক্ষতিগ্রস্ত মুরগী ব্যবসায়ী মো. জলিল মিয়া (৫৫) বলেন, গাছটির কিছু অংশ তাঁর দোকানের ওপর পড়ে পুরো দোকানই ভেঙে গেছে। এতে তাঁর প্রায় ১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখন তিনি তাঁর ব্যবসার স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেন না।
কাংশা ও ধানশাইল ইউনিয়ন ভূমি সহকারীকর্মকর্তা সুজন কুমার সুম বলেন, গাছটি ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত হওয়ায় বনবিভাগের কর্মকর্তা দিয়ে পরিমাপ করে নিলামে বিক্রির জন্য উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার কার্যালয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।
এব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাদিকুর রহমান বলেন, গাছটি অপসারণের জন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে বিভাগীয় কমিশনারের নিকট অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। অনুমতি পেলেই গাছটি অপসারণ করা হবে জানান তিনি।