ঢাকায় রোলবলের যুব বিশ্বকাপ

24

গত ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় চতুর্থ বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশে একেবারেই অপরিচিত ছিল রোলবল। ৩৯টি দেশের ছয় শতাধিক স্কেটারের অংশগ্রহণে প্রথমবার বিশ্বকাপ আয়োজন করেই বাজিমাত করে লাল-সবুজরা। যদিও আসরে আশা জাগিয়ে চতুর্থ স্থান নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় হৃদয়-আসিফদের। তবুও এত বড় একটি সফল আয়োজনে, বিশ্বদরবারে লাল-সবুজের সুনাম বেড়েছে বেশ। ফলে ধীরে ধীরে খেলাটার প্রতি তরুণদের আগ্রহ বাড়ছে। এর প্রমাণ পল্টনস্থ শেখ রাসেল রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে নিত্যদিন নতুনদের স্কেটিং নিয়ে অনুশীলন।
সুযোগটা কাজে লাগাচ্ছে রোলার স্কেটিং ফেডারেশন। এবার প্রথম যুব বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে তারা। আন্তর্জাতিক রোলবল ফেডারেশনের কাছ থেকে মিলেছে সবুজ সংকেত। সূচি চূড়ান্ত না হলেও বাড়ছে অংশগ্রহণকারী দল। সম্পন্ন হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি। এখন শুধু অপেক্ষা আনুষ্ঠানিক ঘোষণার। এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ রোলার স্কেটিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আসিফ আহমেদ।
টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বাংলাদেশ দল। আহমেদ আসিফুল হাসান জানান ‘ঘরের মাঠে যুব বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার চ্যালেঞ্জ নিচ্ছি আমরা। আগস্টে সারা দেশে হবে ট্যালেন্ট হান্ট। বাছাই করা হবে এক হাজার স্কেটার। তাদের নিয়ে দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনায় যাবে ফেডারেশন।’ তিনি যোগ করেন, ‘আমরা সবচেয়ে ছোট একটা ফেডারেশন। তারপরেও ফেব্রুয়ারিতে বিশ্বকাপ করতে পেরেছি। সাড়ে ছয়শ’ খেলোয়াড় এখানে অংশ নিয়েছেন। আমাদের অনেক ভুলত্রুটি হয়েছে। আমি মনে করি, সেই ভুলত্রুটিগুলো যদি আমরা সংশোধন করতে পারি তাহলে এবারের বিশ্বকাপটা আরো আকর্ষণীয় হবে।’
ফেব্রুয়ারিকে পুরো আয়োজনে এতটাই মুগ্ধ ছিল আন্তর্জাতিক রোলবল ফেডারেশন, যে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত যুব রোলবল বিশ্বকাপের আয়োজক হতে এবার বাংলাদেশকে অনুরোধ করেছে আইআরএফ। এতে অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা বেড়ে হবে ৪৫টি। মূল আসরে ৪র্থ হলেও এবার শিরোপায় চোখ থাকবে কোচ আশরাফুল আলম মাসুম শিষ্যদের। এ বিষয়ে মাসুমের কথা, ‘ক’দিন আগে ঢাকায় এসেছিলেন রোলার স্কেটিংয়ের সভাপতি রাজু ধাবাড়ে। তিনি যুব রোলবল বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য বাংলাদেশকে মৌখিকভাবে অনুমোদন দিয়ে গেছেন। আমরা এখন লিখিত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছি। সেটা পেলেই কাজ শুরু করবো। ফেব্রুয়ারিতে খেলা আমাদের দলের ৯০ ভাগ খেলোয়াড়ই ছিল ১৫ বছর বয়সী। তাই খেলোয়াড় বাছাইয়ে আমাদের খুব একটা বেগ পেতে হবে না আশা করি।’