দুই যুগ পর

60

দীর্ঘ প্রায় দুই যুগ পর বিটিভির অনুষ্ঠানে গান গাইলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। আসছে ঈদে প্রচার নির্ধারিত এ অনুষ্ঠানটির নাম ‘তোমাদেরই গান শুনাবো’। বিটিভির মহাপরিচালক এস এম হারুন অর রশীদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং মাহবুবা ফেরদৌসের প্রযোজনায় এরইমধ্যে অনুষ্ঠানের রেকর্ডিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে বাংলাদেশ টেলিভিশনে। এর আগে রুনা লায়লা বাংলাদেশ টেলিভিশনে যত অনুষ্ঠানে গান গেয়েছেন তার চেয়ে বেশি চমক আছে এবারের অনুষ্ঠানে। কারণ অনুুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন আঁখি আলমগীর এবং এতে অতিথি হিসেবে দেখা যাবে নায়ক, প্রযোজক ও পরিচালক আলমগীরকে। এর আগে উপস্থাপনায় আঁখির বেশ ভালো অভিজ্ঞতা থাকলেও এমন একটি অনুষ্ঠানের উপস্থাপক হিসেবে থাকতে পেরে বেশ খুশি তিনি। এ অনুষ্ঠানে রুনা লায়লার কণ্ঠে যে গানগুলো দর্শক দেখতে ও শুনতে পাবেন সেগুলো হচ্ছে ‘প্রতিদিন তোমায় দেখি সূর্যের আগে’, ‘গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে’, ‘যখন থামবে কোলাহল’, ‘ভুলিতে পারিনে তাই আসিয়াছি পথ ভুলি’, ‘আমায় ভাসাইলিরে’, ‘কার তরে নিশি জাগো রাই’সহ আরো দুটি গজল। দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশ টেলিভিশনে গান গাওয়া প্রসঙ্গে রুনা লায়লা বলেন, প্রায় দুই যুগ পর বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য গাইলাম। সত্যিই খুউব ভালো লেগেছে। সেট ডিজাইন এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য আয়োজন বেশ গুছানো ছিল। সবমিলিয়েই ভালো লেগেছে। তাছাড়া আঁখির উপস্থাপনাও খুব ভালো হয়েছে। পুরো অনুষ্ঠানটিই আশা করছি দর্শকের কাছে উপভোগ্য হবে। আঁখি আলমগীর বলেন, এমন একটি অনুষ্ঠানে আমাকে উপস্থাপক হিসেবে রাখার জন্য বিটিভি কর্তৃপক্ষের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আমি চেষ্টা করেছি আমার উপস্থাপনার মধ্যদিয়ে তার মতো একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পীকে যথাযথভাবে তুলে ধরার। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আব্বার উপস্থিতিটাও ছিল রুনা আন্টির জন্য অনেক বড় চমক। সবমিলিয়ে খুব ভালো একটি অনুষ্ঠান হয়েছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ টেলিভিশনে রুনা লায়লা প্রথম সংগীত পরিবেশন করেন ১৯৭৪ সালে। এরপর আরো তিন-চারবার তিনি বিটিভিতে গান করেন। সর্বশেষ করেন ১৯৯৪ সালে।