দ্বিতীয় ধাপে গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আপিলেও বহাল

31

জুন থেকে দ্বিতীয় ধাপে গৃহস্থালিসহ সবক্ষেত্রে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে আগামী ৩১জুলাইয়ের মধ্যে হাইকোর্টের রুল নিষ্পত্তির আদেশ দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের বেঞ্চ সোমবার  এ আদেশ দেন। এর ফলে ১লা জুন থেকে এক চুলার জন্য ৯০০ টাকা ও দুই চুলার জন্য ৯৫০ টাকা নির্ধারণ করে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে।

এর আগে ৩০ মে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে শুনানির সময় চেম্বার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন আগের রায় বহাল রাখেন। ৫ জুন পর্যন্ত এ আদেশ স্থগিত করে চেম্বার আদালত বিষয়টি শুনানির জন্য পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

আদালতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। রিটকারীর পক্ষে ছিলেন মো. সাইফুল আলম।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এক ঘোষণায় আটটি গ্রাহক শ্রেণিতে দুই ধাপে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করে বিইআরসি। ওই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেছিলেন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর পক্ষে স্থপতি মোবাশ্বের হাসান।
ওই রিটের শুনানি নিয়ে জুন থেকে দ্বিতীয় ধাপে গৃহস্থালিসহ সবক্ষেত্রে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ছয় মাসের জন্য স্থগিত করে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে দুই দফায় গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সিদ্ধান্ত কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করে আদালত।

প্রথম দফায় ১ মার্চ থেকে গ্যাসের বর্ধিত দাম কার্যকর করা হয়। মূল্যবৃদ্ধির পর এক চুলার গ্যাসের মূল্য ৬০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৭৫০ টাকা এবং দুই চুলার জন্য ৬৫০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় এই মূল্য হওয়ার কথা যথাক্রমে ৯০০ ও ৯৫০ টাকা। এছাড়া প্রথম দফায় গৃহস্থালিতে মিটারভিত্তিক গ্যাসের বিল প্রতি ঘনমিটার সাত টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯ টাকা ১০ পয়সা করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় এটি বেড়ে দাঁড়াবে ১১ টাকা ২০ পয়সা।