নকলায় আমন ধান ক্ষেতে ইদুর নিধনে ধনুক পক্রিয়া

58

শেরপুরের নকলা উপজেলায় ২নং নকলা ইউনিয়নের চাষী ফজলুল হক মেম্বার এবার আমন মৌসুমে ধান ক্ষেত থেকে ইদুর নিধনের ধনুক পক্রিয়া কয়েকদিনে প্রায় ২ থেকে আড়াই শতাধিক ইদুর নিধন করেছেন।
জানা গেছে, ইদুর নিধনে নানা পক্রিয়া বিদ্যমান থাকা সত্তেও তিনি এ পক্রিয়াটি ইদুর নিধনের জন্য যথোপযোগী বলে মনে করেন। কেননা ইদুর অত্যন্ত সন্দেহ প্রবণ প্রাণী তারা খোলা মেলা খাবার পছন্দ করে না। বংশ বিস্তারেও অতি পটু। তারা ২৮ দিন পর পর ৭/৮টি করে বাচ্চা প্রসব করে। রাসায়নিক বা বিষ যুক্ত খাবার সহজেই খায় না। পার্সিং পদ্ধতিতেও কৃষকরা ফসলের রোগ বালাই সহ ইদুর নিধনে আরোও একটি পক্রিয়া বলে মনে করা হয়। এতে গভীর রাতে ঁেপচা সহ নানা রকম নিশাচর পাখিরা পাচির্ং গুলোতে বসে ইদুর সহ নানা পোকা মাকড় ধরে খায়। জমির আইল মোটা থাকলে ইদুরের উপদ্রপ বেশি হয়। এতে টেপ বা খাচার মাধ্যমে ইদুর নিধন করা যায়। আইপিএম এর ক্রনিক পক্রিয়া ও অ্যাকিউট পক্রিয়াতেও ইদুর নিধন করা যায়। তবে চাষী নছিম উদ্দিন, বদ্দি, মোশারফ সহ আরো অনেকেই জানায় ইদুর নিধনের বিভিন্ন পদ্ধতির চেয়ে ধনুক পদ্ধতিটি ব্যাপক উপযোগী। উপজেলা কৃষিকর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানায় ইদুর নিধনের বিভিন্ন পদ্ধতির মধ্যে এই ধনুক পদ্ধতিও অন্যতম। কেননা ইদুর ধান ক্ষেতে গিয়ে বাশের খুটির নিচে বাশ ও শুটকি মাছের গন্ধে আর খুটিটি ধানের ছোবার আরালে খারা থাকায় এটাকে কোন ফাদ মনে করে না । খোদার তারনায় ইদুর খাবার খেতে শুরু করলে মাঝখানে চিকন পাটের রশি কেটে ফেলে তখন তীরটি তার মাথার উপর চেপে বসে। তখন ইদুর ফাদ থেকে পালিয়ে যাওয়ার কোন উপায় থাকে না। সুতরাং এই ধনুক পক্রিয়াটি ইদুর নিধনের উপযোগী পক্রিয়া বলে আমি মনে করি।