নকলায় আহলে হাদিসের অনুসারীদের আগাম ঈদ

82

 

হযরত আলী ও আব্দুল মোত্তালেব সেলিম, নকলা থেকে :

নকলায় আহলে হাদিসের অনুসারীরা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে আগাম ঈদ পালন করছেন। আজ রবিবার সকালে নকলা পৌর এলাকার চরকৈয়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় আগাম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ঈমামতি করেন সারোয়ান হোসেন। নকলা থানা পুলিশের পক্ষ থেকে ঈদগাহ মাঠে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।

প্রায় দুই শতাধিক মানুষ এই ঈদের জামাতে অংশগ্রহন করেন। মহিলারাও পর্দার মধ্যে ঈদ জামাতে অংশগ্রহণ করেন। তবে অগ্রিম ঈদ পালনের ব্যাপারে দ্বিমত জানিয়েছেন নকলার ইসলামী ব্যক্তিত্বের অনেকেই।

চরকৈয়ায় আগাম ঈদের জামাতে নামাজ পড়তে আসা তারেক ইসলাম বাবু জানান, ‘আহলে হাদিসের অনুসারী হিসাবে আমরা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ পালন করি।’

এ ব্যাপারে আগাম ঈদ জামাতের ঈমাম সারোয়ার হোসেন সাপ্তাহিক শেরপুর ও নিউজ ২৪ ডটকমকে বলেন, ‘সৌদির সাথে যেহেতু আমাদের সময়ের ব্যবধান মাত্র ৩ ঘন্টা, তাই আমরা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখেই ঈদের জামাত আদায় করি। যদি ২৪ ঘন্টা ব্যবধান থাকতো তাহলে আমরাও আগামীকাল ঈদ পালন করতাম।’ তবে চাঁদ দেখার বিষয়টির ব্যাপারে তেমন কিছু বলেননি তিনি।

ঈদগাহ মাঠের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সামছুল হক বলেন, ‘আমরা সৌদি আরবের সাথে দিনের মিল রেখে দীর্ঘদিন ধরে রোজা ও ঈদের জামাতসহ অন্যান্য ধর্মীয় কার্যক্রম গুলো পালন করে আসছি।’

অন্যদিকে আগাম ঈদ পালনের ব্যাপারে বাজারদি মসজিদুল হাবীবের ঈমাম মো. ওসমান গনি সাপ্তাহিক শেরপুর ও নিউজ ২৪ ডটকমকে বলেন, ‘ইসলামী বিধি মোধাবেক চাঁদের উপর নির্ভর করে রমজান মাস শুরু হয়। শাওয়ালের চাঁদ দেখার উপর করে কবে ঈদ হবে না হবে। কোন দেশের সাথে মিলিয়ে নামাজ আদায় করা ইসলামের বিধান নয়।’

নকলা উপজেলা টিচার্স ট্রেনিং সেন্টার মসজিদের ঈমাম মুফতি আবদুল জলিল কাসেমী বলেন, ‘ইসলামের বিধানে পরিষ্কারভাবে চাঁদের বিষয়টি উল্লেখ আছে। সুতরাং ঈদ কবে হবে তা নির্ভর করবে শাওয়ালের চাঁদ উঠার উপর।’