নিষিদ্ধ ওষুধ প্রয়োগে গবাদিপশু মোটাতাজাকরণ বন্ধে নজরদারী প্রয়োজন

13

আসছে কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে বেশি দামের আশায় গবাদি পশুকে মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন পশুর মালিকরা। গরু মোটাতাজাকরণে স্টেরয়েড বা হরমোনসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ ওষুধের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এসব ওষুধ প্রয়োগে মোটাতাজা করা গবাদি পশুর মাংস মানব স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এমন মাংস খাওয়ার ফলে মানবদেহে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন মারাত্মক রোগ বালাই হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যদিও মৎস্য ও পশু খাদ্যের আইনে ধারার ১৪তে সুস্পষ্ট বলা হয়েছে, গবাদি পশুর হৃদপুষ্ট করণে কোন প্রকার হরমোন, স্টেরয়েড বা ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব ওষুধ উৎপাদন ও ব্যবহার বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হওয়ায় এগুলো বাহির দেশ থেকে চোরাচালির মাধ্যমে এদেশে আনা হয়। তবে আশার বিষয় হল- প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ ও সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী (বিজিপি) গত তিন বছর যাবৎ গরু মোটাতাজাকরণে স্টেরয়েড ও হরমোনসহ ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদন, ব্যবহার ও চোরাচালানি বন্ধে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করে আসছেন। তবুও সম্প্রতি দিনাজপুর হিলিতে বিজিপি সদস্যরা গবাদি পশু মোটাতাজাকরণের বিপুল পরিমাণ অবৈধ ওষুধ আটক করতে সক্ষম হন। যেহেতু এখনো এমন ক্ষতিকর ওষুধের চোরাচালান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। অতএব মানব স্বাস্থ্য রক্ষায় নজরদারী আরো বাড়ানো উচিত বলে মনে করছেন সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ। আমিও তাদের সাথে ঐকমত্য পোষন করছি এবং গবাদি পশুর হৃদপুষ্ট করণে যেকোন প্রকার হরমোন, স্টেরয়েড ও ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদন, ব্যবহার ও চোরাচালানি বন্ধে নজরদারী আরো বাড়াতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

প্রেরক- মো. মোশারফ হোসেন নকলা, শেরপুর। ইমেইল[email protected]

Facebook Comments