প্রচারণা চালাতে পারবেন না শাহবাজ শরীফ

24

নিজের নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে পারবেন না নওয়াজ শরীফের ছোট ভাই, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে আচরণবিধি ইস্যু করেছে। তাতে জাতীয় পরিষদের ১২০ নম্বর আসনে উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শাহবাজ শরীফ। এটি লাহোরের একটি আসন। এ আসনে এমপি ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ। কিন্তু গত শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট দুর্নীতির অভিযোগে তাকে অযোগ্য করা ও পরে তিনি পদত্যাগ করায় আসনটি শূন্য হয়। নওয়াজ শরীফের দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএলএন) পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী পদে মনোনয়ন দেয় শাহবাজ শরীফকে। তিনি এমনিতেই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হতে পারতেন। কিন্তু তিনি শুধু পাঞ্জাব প্রদেশ থেকে প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচিত প্রতিনিধি ও ওই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জাতীয় পরিষদের কোনো আসনের নির্বাচিত এমপি নন। তাই তাকে প্রধানমন্ত্রী হতে হলে প্রথমে জাতীয় পরিষদের কোনো একটি আসন থেকে নির্বাচিত হতে হবে। নওয়াজ শরীফ পদত্যাগ করায় তার আসন খালি। সেই আসনে উপনির্বাচন হবে ১৭ ই সেপ্টেম্বর।। ওই আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শাহবাজ শরীফ। কিন্তু তিনি যাতে নিজের প্রচারণা নিজে চালাতে না পারেন সে জন্য নির্বাচন কমিশন তার বিরুদ্ধে ওই আচরণবিধি প্রণয়ন করেছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডন। নির্বাচন কমিশনের ওই আচরণবিধিতে বলা হয়েছে, উপনির্বাচনের শিডিউল ঘোষণার পর প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, সিনেট চেয়ারম্যান, ডেপুটি চেয়ারম্যান, প্রাদেশিক পরিষদগুলোর স্পিকার, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা, প্রাদেশিক পরিষদের মন্ত্রীরা, গভর্নর, মুখ্যমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টরা, জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যরা ও সরকারি পদে আছেন এমন কেউ কোনো নির্বাচনী আসন সফরে যেতে পারবেন না। প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো অনুদান, প্রতিশ্রুতি, দিতে পারবেন না ওই আসনে। প্রার্থীর প্রচারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দিতে পারবেন না। কারণ, এর মধ্য দিয়ে নির্বাচনের ফলে প্রভাব পড়ে। এই আচরণবিধি অনুযায়ী, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী সহ সব সরকারি কর্মকর্তা শাহবাজ শরীফের পক্ষে জাতীয় পরিষদ-১২০ আসনে প্রচারণা চালাতে পারবেন না।