বন্যহাতির তান্ডব, সবজী আবাদ বিনষ্ট

43

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার রাংটিয়া, তাওয়াকুচা, সন্ধ্যাকুড়া ও গজনী এলাকায় আবার বন্যহাতির পাল তান্ডব চালিয়েছে ।

স্থানীয়রা জানায়, “গত দুদিন যাবত বন্যহাতির একটি পাল লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। হাতির পালটির লক্ষ্য হলো সব্জি ক্ষেত। আবাদের ঝিংগা, করল্লা, চিচিংগার ক্ষেতে রাত্রে তান্ডব চালিয়ে খেয়ে এবং পায়ের তলায় পিষ্ট করে নষ্ট করছে এসব সব্জী।
মঙ্গলবার রাতে হাতির পালটি তান্ডব চালায় তাওয়াকুচা, রাংটিয়া ও সন্ধ্যাকুড়ায়। এসব এলাকার লোকজন রাতে মশাল জে¦লে, পটকা ফুটিয়ে হাতির পাল তাড়ায়। পরে হাতির পালটি চলে যায় গজনী এলাকার দিকে।
সন্ধাকুড়া গ্রামের কেরামত আলী ও শাহা আলম গোমড়া গ্রামের মুন্জুর আলী, নূরনবী ও রেফাজ ফকির বলেন, আমাদের একমাত্র সম্বল কৃষি কাজের উপর নির্ভরশীল এলাকাবাসী, অনেক কষ্টে জমিটুকু আবাদ করেছি। হাতির দল আমার সহ প্রায় ৫০ জন কৃষকের সর্বনাশ করে দিয়েছে। এখন পুনরায় এই জমি আবাদ করার মতো সামর্থ্য আমাদের আর নেই। বিগত সময়ের চেয়ে এবার হাতির আক্রমনে এলাকায় কৃষকের ক্ষতি পরিমান অনেক বেড়ে তিনগুন দাড়িয়েছে। হাতির অত্যাচারে এলাকায় অভাব অনটন সহ জীবনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। কয়েকটি গ্রামে প্রতিরাতেই হাতি হানা দিচ্ছে। তা প্রতিরোধের কোন উপায় না থাকায় পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষরা খুব কস্টে দিনাপাত করছেন “।
এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনূল ইসলাম বাদশা বলেন হাতির আক্রমন দির্ঘ দিন থেকে অব্যাহত রয়েছে । স্থায়িভাবে প্রতিরোধ করার জন্যে পরিকল্পনা চলছে। সোলার ফ্রেনসিং পদ্দতি এখন অকেজো হওয়ায় আক্রমনটা বেড়ে চলছে। তা অচিরেই ঠিক করা হবে।