বাংলাদেশে করোনায় কিছু মারা গেছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রির্পোটে আমরা লাল দাগে পা রাখিনি

74

মঞ্জুরুল আহসান : বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি নকলা-নালিতাবাড়ীর এমপি অগ্নিকন্যা মতিয়া চৌধুরী বলেন- প্রতি বছর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শীত আসলে শীতবস্ত্র দেন। অর্থাৎ কম্বল দেন। সেটা আমিও আমার মতো কিছু দিতে চেষ্টা করি। আমি খুব বেশি দিতে পারি না। তবে দিতে চেষ্টা করি। শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার রূপনারায়নকুড়ার গাছগড়া ও মরিচপুরান সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ২৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকালে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিতরণকালে মতিয়া চৌধুরী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন- আমি প্রতি বছরই শীতবস্ত্র বিতরণ করে থাকি। এই বছর যখন বিতরণের সময় হয়। তখন একদিকে করোনা। অপরদিকে পৌরসভার নির্বাচন। ইলেকশনের ভিতর যদি আমি এগুলো দিতে আসতাম। আমিও খবরের কাগজে কাজ করেছি তখন আমার কলম দিয়েই লিখতাম “এমপি এসে কম্বল বিতরণের নামে ক্যাম্ভাস করে গেল। নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে গেল।”

যা আমি কোনো দিনই করি নাই। আমি নিয়ম মেনে চলি। সেই জন্য আমি ওই সময় আসি নাই। শুধু এই সময়ই নয় আমি প্রত্যেক উৎসবে আপনাদের কিছু দিতে চেষ্টা করি।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে মতিয়া চৌধুরী বলেন, আমাদের বাংলাদেশে বা গ্রামে কম হলেও সারা পৃথিবীতে করোনা নামক একটি অসুখ আছে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই করোনা যাতে আমাদের আক্রান্ত করতে না পারে সেই জন্য তিনি মাস্ক পড়তে বলেছেন। বাংলাদেশে করোনায় কিছু মারা গেছে। তাই আল্লাহ্র রহমতে বাংলাদেশে যে জনসংখ্যা সেই হিসেব মতো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রির্পোটে আমরা লাল দাগে পা রাখিনি।

মাস্ক পড়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। মাস্ক পড়লে শীতের ঠান্ডা থেকে রক্ষা পাওয়া যায় এবং চৈত্র্যের ধূলা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তাই তিনি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সকলের মাস্ক পড়তে হবে। মাস্ক পড়লে অসুখ বিসুখ ও ধূলোবালি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নালিতাবাড়ী সার্কেল) জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী কমিশনার ভূমি সঞ্জিতা বিশ্বাস, মেয়র আবু বক্কর সিদ্দীক, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সরকার গোলাম ফারুক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুস সবুর, সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াজকুরুনী, সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমেদ বকুল, আব্দুল লতিফ, আছমতারা আছমা, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক গোপাল চন্দ্র সরকার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সরোয়ার জাহান স্বপন, প্রচার সম্পাদক সুরুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ, কৃষকলীগ আহ্বায়ক আজাদ মিয়া, রূপনারায়নকুড়া ও মরিচপুরান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ও শফিকুল ইসলাম শফিক, যুবলীগ আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।