বাউন্স সামলাতে প্রস্তুত ইমরুলরা

23

কাল মাঠে গড়াচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট। টেস্ট ভেন্যু পচেফস্ট্রমে পৌঁছে গত দুই দিনে টাইগার ক্রিকেটাররা ঘাম ঝরিয়ে যাচ্ছেন কঠিন অনুশীলনে। একদিকে বোলাররা প্রস্ততি নিচ্ছেন প্রোটিয়া বোলারদের আটকানোর কৌশল নিয়ে। অন্যদিকে দলের ব্যাটসম্যানরা এখন প্রস্তুত দক্ষিণ আফ্রিকার পেসবান্ধব কন্ডিশনে বাউন্সার সামলাতে। দলের দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার ইনজুরিতে পড়লেও তারা দু’জনই এখন ফিট। গতকাল দু’জনই ব্যাট হাতে অনুশীলন করেছেন। তাই টাইগার শিবির এখন অনেকটই চিন্তামুক্ত। গতকাল অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস বলেন, ‘আমরা এখানে এক সপ্তাহ আগে এসেছি। প্রস্ততি ম্যাচও খেলেছি। দু’দিন ধরে অনুশীলন করছি। সবকিছু মিলিয়ে আমাদের প্রস্তুতি ভালোভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ করে প্রস্তুতি ম্যাচটি খেলার পর দলের সবার আত্মবিশ্বাস বেড়েছে।’
প্রস্ততি ম্যাচে ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি দেশসেরা তামিম ইকবাল। এমনকি সৌম্য সরকারও ব্যাট হাতে নামেননি দ্বিতীয় ইনিংসে। হঠাৎ করে কোচের কৌশলে তামিমের সেরা ওপেনিং পার্টর্নার ইমরুল খেলছিলেন তিনে। কিন্তু প্রস্ততি ম্যাচে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে ফের ওপেন করার সুযোগ পান ইমরুল। সেখানেই তিনি ফিফটি হাঁকান। অথচ শেষ তিন ম্যাচে ৩ নম্বর পজিশনে খেলতে নেমে হয়েছেন ব্যর্থ। রানে ফেরা নিয়ে ইমরুল বলেন, ‘রান করতে পারলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে সেটি দেশে করি আর বিদেশে। ভালো লাগছে এখানে রান করতে পেরেছি।’ তবে যে কোনো পজিশনে খেলার জন্য প্রস্তুতি রাখছেন বলে জানান তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটে বাউন্সটাই দলকে বেশি ভোগাবে। তাই নেটে ব্যাটম্যানদের দেয়া হচ্ছিল বাউন্সার। এতে করে কেউ কেউ ব্যাথাও পাচ্ছিলেন। মূলত মাঠে নামার আগে বাউন্স নিয়ে কতটা চিন্তি দল? এ বিষয়ে ইমরুল বলেন, ‘দেখেন নেটে বোলিং আর মাঠে বোলিং এক নয়। আমরা জানি এই কন্ডিশনে বাউন্সটা আমাদের ভোগাবে। তবে আমরাও প্রস্ততি নিয়েছি সেভাবেই। এখানে উইকেটের যে কন্ডিশন সেটাও আমাদের মেনে নিতে হবে। সেই ভাবেই প্রস্তুত থাকতে হবে।’ ২০০৮ সালে ইমরুল কায়েসের টেস্ট অভিষেক দক্ষিণ আফ্রিকাতেই। তবে টেস্টে তিনি দলের নিয়মিত সদস্য হতে পরেননি এখনো। ২০১১তে জাতীয় দল খেবে বাদ পড়ার তিন বছর পর দলে ফিরে দারুণ সময় কাটান। ওপেনিংয়ে তামিম ইকবালের সঙ্গে টেস্টে হয়ে উঠেন সেরা জুটি। তবে হঠাৎ করেই পজিশন পরিবর্তন হওয়াতে ছন্দ খুঁজে পাচ্ছেন না এ ব্যাটসম্যান। নির্বাচকরাও বলে দিয়েছেন এটিই হতে পারে তার শেষ সুযোগ।