বিসিবি’র নির্বাচন বর্তমান কমিটির পরিচালনায়!

24

১৩ই অক্টোবর মেয়াদ শেষ হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি’র) নির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির। এখন পর্যন্ত ঘোষণা হয়নি বিসিবি’র পরবর্তী নির্বাচনের দিনক্ষণ। তাই প্রশ্ন উঠেছে কমিটির মেয়াদ শেষ হলে বিসিবি পরিচালনায় থাকবে কারা? এডহক কমিটি গঠন করে কি চলবে বিসিবি! কার অধীনে হবে নির্বাচনের আয়োজন? বিষয়ে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘আমার জানামতে আমাদের এ কমিটিই  কন্টিনিউ করবো না কি এডহক কমিটি হবে এ সব বিষয়ে আমাদের গঠনতন্ত্রে এ ধরনের কোনো গাইডলাইন নেই। এ বিষেয়ে আমাদের জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আমাদের সাহায্য করতে পারবে। তারা যদি মনে করে এডহক কমিটি হবে সেটি করতে পারেন, আবার তারা যদি মনে করে বর্তমান কমিটির মেয়াদ বাড়াবেন সেটাও করতে পারেন। তবে গঠনতন্ত্রে লেখা আছে নির্বাচনের পর ১৫ কার্যদিবস পর, ১৬ কার্যদিবসের মধ্যে যারা নির্বাচিত হয়ে আসবে তাদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে এ কমিটি। সেই হিসাবে যদি আমাদের মেয়াদ থাকতেই নির্বাচন ঘোষণা করে দেই তাহালে তারা সেই সময় জিতে আসবে তাদেরকে আমরা ক্ষমতা হস্তান্তর করবো। এটাই আমাদের জানা। এটাতে সুবিধা হয় এখানে একটা ধারাবাহিকতা থাকে। যদিও সেই সময় এ কমিটি কোনো বোর্ড মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। তবে বোর্ডের সাধারণ যে কাজগুলো সেগুলো করতে পারবে। এবং নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে পারবে। যদিও এ বিষয়গুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এটা একটা সম্ভাবনা আছে। আমরা এখন এ সব বিষয়ে আইনি পরামর্শ নিয়ে আলোচনা করবো।’
নাজমুল হাসান পাপনের মতে যদি এনএসসি তাদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বর্তমান গঠনতন্ত্রে অনুমোদন দেয় সেই ক্ষেত্রে তারা দ্রুত নির্বাচন কমিশন গঠন করে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করে দেবে। তবে এখন প্রশ্ন হচ্ছে- ১৩ই আক্টোবরের মধ্যে বিসিবি’র ইজিএম-এ পাস হওয়া গঠনতন্ত্রে অনুমোদন দিতে পারবে কিনা! আর তা না পারলে কোন পদ্ধতিতে চলবে বোর্ড- সেটি রয়েছে এখনো অন্ধকারে। শুধু তাই নয়, এখনো এনএসসি’র ঘাড়ে ঝুলছে হাইকোর্টের রুল। তারা সেই ৪ সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিলে হাইকোর্ট তাদের রায় দেবেন। কিন্তু সেই রায় যদি ফের এনএসসি’র বিপক্ষে যায় আর বিসিবি’র এ কমিটি অবৈধ হয়ে যায় তখন মামলার ফাঁদে পড়বে বিসিবি। তবে এ সব মামলাতে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ক্ষতি হচ্ছে বলে ফের দাবি করে নাজমুল হাসান বলেন, ‘আমরা জানি না যে মামলা আর হবে কিনা! তবে এসব মামলাতে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ক্ষতি ছাড়াও আর কিছু হচ্ছে না। যারা মামলা করছেন তারা কেন করছেন একটি ভালো কারণও তারা এখন পর্যন্ত দেখাতে পারেননি। যদি পারতেন তাহলে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতাম।’