বৃষ্টিতে জয় বঞ্চিত ওয়েস্ট ইন্ডিজ

21

চোটে মাঠ ছাড়ার আগের এভিন লুইসের ব্যাট থেকে এসেছিলো ১৭৬ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডেকে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিটাই ‘বিস্ফোরক’ বানিয়ে ছিলেন এই ক্যারিবীয় ওপেনার। আহত না হলে ডাবল সেঞ্চুরিটাও হয়তো পেয়ে যেতেন তিনি। এই সেঞ্চুরিতে স্কোরবোর্ডে ৩৫৬ রানে করেও বেরসিক বৃষ্টির কারনে হারতে হলো ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। এই হারে ৫ ম্যাচের সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে রইল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
লন্ডনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরাট সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে জবাবটা প্রথম দিকে দুর্দান্তই দিয়েছে ইংলিশরা। সে কারণেই উইকেট পড়ার মিছিলের মধ্যেও ৩৫.১ ওভারেই ২৫৮ রান তুলে ফেলতে পেরেছে তারা। এর পরেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের আশা ছিল। কিন্তু বৃষ্টি এসে সব ওলট পালট করে দিল। ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ২৫৩ রানে তুললেই যেখানে ইংলিশরা জিতে যেত, সেখানে তারা ৫ রান বেশিই তুলেছিল। ফলে ৬ রানের জয় পেলো ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ড জিতলেও ১৩০ বলে লুইসের ১৭৬ রানই এই ম্যাচের হাইলাইটস। এই ইনিংসে ছিল ১৭টি চার আর ৭টি ছক্কার মার। ইংলিশ বোলারদের নাকের জল, চোখের জল একাকার করে দিয়েছিলেন তিনি। লুইসের যোগ্য সঙ্গী ছিলেন জেসন হোল্ডার। ৬২ বলে ৭৭ রান করেছিলেন তিনি। এর সঙ্গে যোগ হয়েছিল জেসন মোহাম্মদের ৪৬।
জবাবে দুই ওপেনার জেসন রয় আর জনি বেয়ারস্টো প্রথমেই তুলে ফেলেন ১২৬ রান। ১৭.৪ ওভারে ৮৪ রান করে আলজেরি জোসেফের বলে ফেরেন রয়। বেয়ারস্টো ৩৯ রানে আউট হন। কিন্তু এরপর জোসেফের বোলিং-তোপে জো রুট, এউইন মরগান আর স্যাম বিলিংস দ্রুত ফিরে গেলে হারের শঙ্কায় পড়ে যায় ইংল্যান্ড। বিপর্যয় থেকে তাদের রক্ষা করেন জস বাটলার (৩৫ বলে ৪৩) আর মঈন আলী (২৫ বলে ৪৮)। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে এই দুজন অল্প সময়ে ৭৭ রান যোগ করে ভাগ্যটা নিজেদের দিকে টেনে নেন। বৃষ্টি তো আশীর্বাদ হয়ে এরপর এসেছিলই। উইকেট আর রানের হিসাবটা যে ঝুঁকে ছিল ইংল্যান্ডের দিকেই।