ভেনেজুয়েলায় সাংবিধানিক ভোট, সহিংসতায় নিহত ৯

24

ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ভেনেজুয়েলা। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সেখানে সহিংসতায় কমপক্ষে ৯ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে নির্বাচনের একজন প্রার্থীও আছেন। দেশটিতে ক্ষমতাধর নতুন আইনি পরিষদ গঠনের ভোট অনুষ্ঠিত হয় রোববার। এই পরিষদ সংবিধান সংস্কারের এখতিয়ার পাবে। এ নিয়ে দেশজুড়ে চলছে তীব্র প্রতিবাদ। সরকার বিরোধীরা নির্বাচন বর্জন করেছে। তাদের বক্তব্য প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ক্ষমতা সুদৃঢ় করাই এর লক্ষ্য। আল জাজিজার খবরে বলা হয়, রোববার রাতে থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। এর আগে ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানো হয় এক ঘণ্টা। আজ সেখানে স্থানীয় সময় সোমবার দিন শেষের আগে প্রাথমিক ফল আসা শুরু হবে আশা করা হচ্ছে। ভেনেজুয়েলার পশ্চিমে তাচিরা রাজ্যে ১৩ ও ১৭ বছর বয়সী দুই প্রতিবাদকারীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সেখানে এক সেনাও গুলিতে নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে আরও রয়েছে উত্তরপূর্ব শহর কুমানার ৩০ বছর বয়সী এক বিরোধী দলীয় আঞ্চলিক নেতা। এছাড়া মেরিদা রাজ্যে নিহত হয় আরো দুই প্রতিবাদকারী।
বিভিন্ন স্থানে মাদুরো-বিরোধী কর্মীরা রাস্তায় নেমে আসে। বেরিকেড দিয়ে রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। পরে নিরাপত্তা বাহিনী তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
২০১৩ সালে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মাদুরো চলমান অর্থনৈতিক সঙ্কট নিয়ে কয়েক মাস ধরে প্রতিবাদের মুখে রয়েছেন। দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির পাশাপাশি দেশটিতে খাবার ও অন্যান্য মৌলিক সুযোগ সুবিধার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও অতি-ক্ষমতাধর পরিষদ গঠনের লক্ষ্যে তাড়াহুড়ো করে ভোট আহ্বান করেন মাদুরো। কয়েক মাস ধরে চলা সহিংসতায় দেশটিকে আনুমানিক ১২০ জনের প্রাণহানি হয়েছে।