মন্ত্রিসভায় রদবদল হতে পারে

36

মন্ত্রিসভায় রদবদলের ইঙ্গিত দিলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, মন্ত্রিসভায় একটা রিশাফল (রদবদল) বোধ হয় হতে পারে । তবে কোন্‌ সময় হবে, কী হবে, সেটা আমি ঠিক জানি না। একটা রিশাফল হতে পারে। গতকাল দুপুরে রাজধানীর সেতু ভবনে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মন্ত্রিসভায় রদবদল প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার। কাকে তিনি রাখবেন, কাকে বাদ দেবেন বা এই মুহূর্তে তা করবেন কিনা এটা তার এখতিয়ার। উপ-প্রধানমন্ত্রী পদ সৃষ্টির বিষয়ে ইন্টারনেটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উপ-প্রধানমন্ত্রী এটা স্রেফ একটা গুজব। এটার কোনো বাস্তবতা নেই। এটা একেবারে ভিত্তিহীন মিথ্যা কথা। অপর এক প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে এখন কারও খাটো করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। আমাদের অবস্থান এখন অনেক উচ্চতায়। আমাদের এখানে যদি অপজিশনের (বিরোধী দল) সঙ্গে সমস্যা হয়, সেটাও আমরা দেখবো। আমি বিনয়ের সঙ্গে বলবো, বাংলাদেশকে এখন কারও পরামর্শ আর উপদেশ দেয়ার দরকার নেই। আমরা বন্ধু হিসেবে থাকতে চাই এবং আমরা বন্ধুত্ব বজায় রাখতে চাই। আমাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে অহেতুক নাক গলানোর অবশ্যই আমরা বিরোধিতা করি। আমাদের কোনো ত্রুটি থাকলে, আমরাই সমাধান করব। জনগণ প্রোটেস্ট করবে। কিন্তু বাইরের শক্তি চাপ দিয়ে কিছু করবে, সে দিন চলে গেছে। বাংলাদেশ সে জায়গা অতিক্রম করে অনেক দূর এগিয়ে এসেছে।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রিসভায় রদবদলে বিতর্কিত মন্ত্রীরা বাদ পড়তে পারেন। এ তালিকায় রয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপনসহ কয়েক জন। এছাড়া কয়েক জন নতুন করে মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ রদবদল করা হতে পারে। একাধিক সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা সেতু নিয়ে কানাডার আদালতে জয়লাভের পর ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগে সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল হোসেনের কদর কিছুটা বেড়েছে। তাকে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেয়া হতে পারে এমনটা বলাবলি করছেন অনেকেই।