মিয়ানমারে প্রকাশ্যে নামাজ আদায় করার অভিযুক্ত ৩ মুসল্লি

36

ইয়াঙ্গুনে বন্ধ একটি ইসলামিক স্কুলের (মাদ্রাসা) সামনে প্রকাশ্যে তারাবির নামাজ আদায় করায় তিনজন মুসল্লির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি অন্য মুসল্লিদের সতর্ক করা হয়েছে তারা যেন প্রকাশ্যে রাস্তায় নামাজ আদায় না করেন। এ অবস্থায় উদ্বেগ জানিয়েছেন মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াসের এশিয়া বিষয়ক উপ পরিচালক ফিল রবার্টসন। তিনি বলেছেন, গত ৩১ শে মে যেসব মুসলিম নামাজ আদায় করেছেন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ও বিচার করার হুমকি েিয়ছেন ওয়ার্ড-পর্যায়ের কর্মকর্তারা। এতেই প্রমাণ হয় যে, মিয়ানমার সরকার ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষায় ব্যর্থ। অনলাইন দ্য ইরাবতী ও অন্যান্য মিডিয়ায় এ খবর প্রকাশ পেয়েছে। এতে বলা হয়, মুসলিমদের বিরুদ্ধে উগ্র বৌদ্ধরা এপ্রিলে অভিযোগ আনে যে, মুসলিম অধিবাসীরা অবৈধভাবে ওইসব স্থান ব্যবহার করে নামাজ আদায় করছে। এরপরই এপ্রিলের শেষের দিকে ইয়াঙ্গুন শহরের থাকেটা এলাকায় দুটি মাদ্রাসার একটি বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর গত বুধবার ওই মাদ্রাসার বাইরে প্রকাশ্যে নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা। এ জন্য কর্তৃপকষ মোয়ে জাওউ এবং অন্য দু’জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করছে। তাদের নেতৃত্বে ওই মাদ্রাসার সামনে প্রায় ৫০ জন মুসলিম নামাজ আদায় করেছিলেন। এ কথা বলেছেন, টাউনশিপের প্রশাসক অং সান উইন। তিনি বলেন, অনুমতি ছাড়া প্রার্থনায় অংশ গ্রহণ করারয় ক্রিমিনাল কোড ১৩৩ এর অধীনে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। পবিত্র রমজানের এ নামাজে অংশ নিয়েছিলেন স্থানীয় মুসলিম হাহি টিন শয়ে। তিনি বলেছেন, থাকেটার পুলিশ প্রধান বলছেন, মুসলিমরা ইচ্ছা করে আইন ভঙ্গ করেছে। তিনি বলেন, আমি তাদেরকে বলেছি আমরা ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করি নি। আমাদের এ শহর এলাকায় সব মুসলিম প্রতিষ্ঠান বন্ধ। আমাদের আবাসন থেকে নামাজ আদায়ের মসজিদটি অনেক দূরে। তাই আমাদের কাছে কোনো বিকল্প ছিল না। আমরা রাস্তায়ই নামাজ আদায় করেছি।