‘রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে সময়সীমা বেঁধে দিতে হবে’

23

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক এম শাহীদুজ্জামান বলেছেন, মানবিক কারণে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলেও এরা দেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। কারণ রোহিঙ্গাদের কবে কিভাবে ফিরিয়ে নেয়া হবে এটা এখনো স্পষ্ট নয়। আর আরাকান রাজ্যে যদি বার্মিজরা চলে আসে তাহলে তা আমাদের ভূখণ্ডের জন্যও হুমকি হতে পারে। এতে করে আমাদের সীমান্ত অনিরাপদ হয়ে যাবে। সরকারের উচিত রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে সময় বেঁধে দেয়া। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে আন্তর্জাতিক মহলকে সঙ্গে নিয়ে অর্থনৈতিক অবরোধ গড়ে তোলে এবং শক্তি প্রদর্শন করে মিয়ানমারকে বাধ্য করতে হবে। মানবজমিনকে দেয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ অধিবেশনে গেছেন। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বিশ্ব নেতাদের প্রতি চাপ সৃষ্টি করতে হবে। বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ বাংলাদেশের পক্ষে। বাংলাদেশ এ কাজটি যদি সঠিকভাবে করতে পারে তাহলে মিয়ানমার লেজ গুটাতে বাধ্য হবে। মিয়ানমারের বিমান বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করার বিষয়ে শাহীদুজ্জামান বলেন, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং শক্তি প্রদর্শন করতেই তারা এ কাজটি করেছে। ইচ্ছাকৃতভাবে মিয়ানমার ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করেছে। বাংলাদেশের উচিত ছিল তাদের বিমানকে অবতরণ করাতে বাধ্য করা। কেন তারা বাংলাদেশের আকাশসীমায় ঢুকেছে। এবং পাইলটকে ধরে আটকে রাখা উচিত ছিল। যেকোনো দেশ হলেই এটা করতো। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তোষামোদকারী নীতির কারণেই মিয়ানমারের বিমানকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর জন্য দায়ী। এক সময় রাখাইন স্বাধীন সার্বভৌম ছিল। এখন মিয়ানমারকে বাংলাদেশের চাপ দিতে হবে। অতীতে থাইল্যান্ড এবং চীনও মিয়ানমারের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ করেছিল।