লাস ভেগাসে কনসার্টে গুলিতে নিহত ৫০, আইএস’র দায় স্বীকার

27

যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে উন্মুক্ত এক কনসার্ট পরিণত হয়েছে বেদনায়। বন্দুকধারীর হামলায় সেখানে মুহূর্তে ঝরে গেছে কমপক্ষে ৫০টি প্রাণ। আহত হন দু’শতাধিক। নিহত ও আহতদের রক্তে ভেসে যায় কনসার্টস্থল। চারদিকে তখন আর্ত চিৎকার। যে যেদিকে পারে, প্রাণ নিয়ে পালানোর চেষ্টা করতে থাকে। এতে এক ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় সেখানে। গান নয়, তখন আর্তনাদ আর বেঁচে থাকার আকুতি সবার মাঝে। ধারণা করা হয়, পাশেই একটি হোটেল মান্দালয় বে’র ৩২ তম তলা থেকে অনেক গুলি ছোড়া হয় কনসার্ট স্থলে। এতেই রক্তে ভেসে যায় ওই এলাকা। হামলার দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।  আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ফলে নিহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। পুলিশ বলেছে, লাস ভেগাস স্ট্রিপে আয়োজন করা হয়েছিল দেশীয় গানের কনসার্ট। এতে সমবেত হয়েছিল বিপুল সংখ্যক মানুষ। সেখানে এক বন্দুকধারী এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে হত্যা করে ৫০ জনকে। হামলাকারী একজন স্থানীয় অধিবাসী। হামলার পর পুলিশ তাকে হত্যা করেছে। স্থানীয় সময় রোববার দিবাগত রাত দশটার দিকে স্বয়ংক্রিয় বন্দুক থেকে কনসার্টে গুলি ছোড়া হয়। এর পর পর স্মার্ট ফোনে ধারণ করা ফুটেজে দেখা যায় এক ভয়াবহ পরিস্থিতি। লাস ভেগাস মেট্রোপলিটন পুলিশের শেরিফ জোসেফ লোম্বারডো সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, তারা ৫০ জন নিহত হওয়ার তথ্য পেয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে দু’শতাধিক মানুষ। এ ঘটনার তদন্ত চলছে। তবে আমরা স্বস্তিতে আছি এ জন্য যে, প্রাথমিকভাবে হামলাকারীকে আমরা হত্যা করতে পেরেছি। এখন আর কোনো হুমকি নেই।  কনসার্টে যোগ দেয়া মনিক ডেকার্ফ বলেছেন, অকস্মাৎ আমরা গ্লাস ভেঙে পড়ার মতো শব্দ শুনতে পেলাম। তাই চারদিকে তাকাতে হলো কি ঘটছে তা দেখার জন্য। তখনই পপ পপ পপ শব্দ বেরিয়ে আসে। অনেকই হয়তো শুরুতে মনে করেছিল কোনো গুলি বিনিময় হয় নি। তারপরই শুরু হয় গুলি।

 

 

 

 

সূত্র : মানবজমিন অনলাইন পত্রিকা