শেরপুরের নকলায় পৃথক ঘটনায় শিক্ষার্থীসহ ২ জনের মৃত্যু

38

জি.এইচ হান্নান : শেরপুর জেলার নকলা উপজেলায় ফাঁসিতে ঝুলে ছত্রকোণা মাদরাসার ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মঞ্জুরা (১৪) নামে ও মিনারা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধু ২ আগষ্ট বৃধবার দুপুরে বিদ্যুতের তাড়ে জড়িয়ে মারা গেছে। শিক্ষার্থী মঞ্জুরা উপজেলার ছত্রকোনা গ্রামের মৃত মনতাজ আলীর মেয়ে এবং মিনারা বেগম রামেরকান্দি গ্রামের আশ্রাফ আলীর স্ত্রী বলে জানা যায়।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষার্থী মঞ্জুরার মা আকলিমা, বড় ভাই সোহেল ও ভাবি নারগিছের দেওয়া তথ্য মতে জানা গেছে, মঙ্গলবার মাদরাসায় সবার সামনে প্রেমের সম্পর্ক অস্বীকার করায় বুধবার দুপুরে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে এসে বাড়িতে লোকজন না থাকার সুযোগে মঞ্জুরা তার থাকার ঘরের পাশের একটি কাঠাল গাছের ডালের সাথে উড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে পরিবারের সবাই বাড়িতে গিয়ে মঞ্জুরার লাশ ঝুলতে দেখে নকলা থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঞ্জুরার সাথে একই মাদরাসার ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থী পার্শ্ববর্তী ধুকুড়িয়া গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে আব্দুর রহিমের সাথে প্রেম ভালবাসার সম্পর্ক চলে আসছিল। ঘটনার দিন প্রেমিক আব্দুর রহিম প্রেমের সম্পর্ক অস্বীকার করায় সে বাড়ী এতে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

অপরদিকে একই উপজেলার টালকী ইউনিয়নের রামেরকান্দি মোড় বাজারের সংলগ্ন বাড়ীর পাশে পুকুর পাড়ে কুমড়া তোলতে গিয়ে বিদ্যুতের তাড় জড়িয়ে জনৈক্য আশ্রাফ আলীর স্ত্রী দুই সন্তানের জননী মিনারা বেগম মারা যায়। দুটি পৃথক অপমৃত্যুর ঘটনা নকলা থানার ওসি খান আব্দুল হালিম সিদ্দিকী সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মঞ্জুরা ও মিনারা বেগমের লাশ সূরত হাল রিপোর্ট তৈরী শেষে ময়না তদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। এ ব্যাপারে নকলা থানায় পৃথক দুটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Advertisement
Print Friendly, PDF & Email
sadi