শেরপুরের নকলায় বিষ্ফোরক মামলায় ধৃত মিনারার ১ দিন ও ফয়েজ উদ্দিনের ৩ দিন রিমান্ড মঞ্জুর

76

জি.এইচ হান্নান : শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার জঙ্গীদের বিস্ফোরক তৈরির বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক তরল পদার্থ উদ্ধারের মামলায় গ্রেফতার হওয়া গোডাউনের মালিক মিনারা বেগম (৩২) ও ভাড়াটে ফয়েজ উদ্দিন (৩৩) কে ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন চেয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। ৮ অক্টোবর রোববার বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চন্দ্রকোনা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আমিনুর রহমান তরফদারের করা এ আবেদনের বিষয়ে অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোমিনুল ইসলাম সোমবার শুনানীর তারিখ ধার্য করে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ৯ অক্টোবর সোমবার অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোমিনুল ইসলাম রিামন্ড শুনানি শেষে দোকান মালিক আসামী মিনারা বেগম কে ১ দিন ও অপর আসামী ফয়েজ উদ্দিনকে ৩দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনুল ইসলাম রিমান্ড মঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিস্ফোরক তৈরির বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক পদার্থ মজুদের মূল রহস্য উদঘাটন ও প্রাপ্তির উৎস, পলাতক আসামীদের শনাক্তকরণ ও গ্রেফতারসহ পুলিশ হেফাজতে নিয়ে নিবিরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ ও অভিযান পরিচালনার লক্ষ্যে গোডাউনের মালিক মিনারা বেগম ও মূল ভাড়াটে ফয়েজ উদ্দিনকে রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তিনি আশা পোষণ করেন, তাদেরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও অভিযানের সুযোগ পেলে মামলাটির তদন্তে অগগ্রতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে ওই মামলার প্রধান আসামীকে আবুল কাশেমসহ অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সেইসাথে জেলায় নাশকতারোধে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারী।

উল্লেখ্য, ৫ অক্টোবর রাতে নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনা বাজারে জঙ্গিদের বিস্ফোরক তৈরির রাসায়নিক পদার্থের গোডাউনের সন্ধান এবং ওই গোডাউন থেকে নাইট্রিক এসিড, সালফারিক এসিড, ক্লোরোফর্ম ও ডাইক্লোমেথিনসহ বিস্ফোরক তৈরির প্রায় ৬শ লিটারের বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক তরল পদার্থ উদ্ধার করে পুলিশ।