শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নানা সমস্যায় জর্জড়িত প্যাকেট বন্ধি হয়ে পড়ে আছে কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি

44

নালিতাবাড়ী প্রতিনিধি সানী: শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, লোকবল ও প্রশাসনিক অনুমোদন না থাকায় বছরের পর বছর কোটি টাকায় কেনা বিভিন্ন চিকিৎসা যন্ত্রপাতি প্যাকেট বন্দী হয়ে পড়ে আছে । এর ফলে সীমান্ত এলাকার এবং দুরদূরান্ত থেকে সেবা নিতে আসা রোগীরা ব্যাপক ভোগান্তী পোহাচ্ছেন বলে জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৩১ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার জন্য ২০০৭-০৮ অর্থবছরে পৌনে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০ শয্যার জন্য দোতালা ভবন নির্মাণ করার কাজ শুরু হয়। ২০১২ সালে নতুন ভবনের দোতালায় রোগীদের থাকার ১৯ শয্যার একটি ওয়ার্ড, তিনটি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চেম্বার তৈরি করা হয়। এছাড়া চিকিৎসকদের থাকার জন্য ১২টি আবাসিক কোয়াটারসহ তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারিদের জন্য পৃথক আবাসিক কোয়াটারও নির্মাণ করা হয়। এর সাড়ে তিন বছর পর ২০১৫ সালের ১৭ অক্টোরর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যানমন্ত্রী মোহাম্মদ নাছিম এবং স্থানীয় সংসদ ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীকে নিয়ে ফিতা কেটে ৫০ শয্যার ভবনের উদ্ভোধন ঘোষণা করেন। এলাকাবাসী আশা করে ছিলেন দ্রুত ৫০ শয্যার কার্যক্রম চালু হবে। কিন্তু দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, লোকবল ও প্রশাসনিক অনুমোদন না থাকায় চালু হচ্ছে না ৫০ শয্যার কার্যক্রম।

সম্প্রতি হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা গেছে, নতুন ভবনের দুতলায় অযতেœ অবহেলায় চার বছর ধরে কোটি টাকা ব্যয়ে কেনা প্রয়োজনীয় সকল যন্ত্রপাতি সহ অপরেশনের টেবিল প্যাকেট বন্দি হয়ে পড়ে আছে। ভবণ নির্মাণের সঙ্গে অপরেশর থিয়েটারে এসি স্থাপন করা হয়েছে। কিন্ত  চালু না হওয়ায় এসব নষ্ট হওয়ার পথে।

নালিতাবাড়ী বাজারের বাসিন্দা শাসছুন নাহার বলেন, চিকিৎসার যন্ত্রপত্র গুলো যদি ঠিক মতো ব্যবহার করা হতো। তাহলে আমাদের আর চিকিৎসার জন্য জেলা কিংবা বিভাগীয় শহরে যেতে হতো না।