শেরপুরের পাকুড়িয়া ইউনিয়নে শতভাগ বয়স্ক ভাতার কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করলেন চেয়ারম্যান হায়দার

60

জিএইচ হান্নান : শেরপুর জেলার সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ২৭টি গ্রামের বয়স্ক নারী ও পুরুষের মাঝে ৬ এপ্রিল মঙ্গলবার দিনব্যাপী পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে ১ হাজার ১১৭ জন নারী ও পুরুষের মাঝে প্রধান মন্ত্রীর শেখ হাসিনার ঘোষিত শতভাগ বয়স্ক ভাতার কার্ড বিতরণ করেছেন পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. হায়দার আলী।

শেরপুর সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে আলহাজ্ব মো. হায়দার আলী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের অবহেলিত রাস্তাসহ ব্যাপক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এসব উন্নয়নের পাশাপাশি তিনি ইউনিয়ন বাসীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় এ অর্থবছরে পাকুড়িয়া ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ২৭টি গ্রামের বয়স্ক ১ হাজার ১১৭ জন নারী ও পুরুষের মাঝে শতভাগ বয়স্ক ভাতার কার্ড বিতরণ করেছেন তিনি। এছাড়াও ৯২৬ জন বিধবা নারী মাঝে বিধবা ভাতার কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। এবছর শেরপুর সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে উন্নয়ন ও জনসেবায় স্থানীয় সরকার কর্তৃক মূল্যায়নে পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রথম স্থান অধিকার করেছে।

এব্যাপারে পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. হায়দার আলী দেশবার্তা বিডি ডট কমকে জানান, পাকুড়িয়া ইউনিয়নে বয়স্ক ভাতার পাশাপাশি, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতাসহ অন্যান্য সরকারি ভাতা শতভাগ বিতরণ করা হবে। তিনি আরো বলেন, পাকুড়িয়া ইউনিয়নে পরিষদের ৬০ বছরেও কোন ইউপি ভবন ছিলনা তিনি ইউপি ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে তা বাস্তবায়ন করেছেন। এছাড়াও ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণের জন্য প্রকল্প হাতে নিয়েছেন তিনি।

এদিকে ইউনিয়ন বাসীর জন্য বিশুদ্ধ পানীয় জলের নিশ্চিত করতে প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তার সময় কালের মধ্যে পাকুড়িয়া ইউনিয়নের অবহেলিত রাস্তাসহ বিভিন্ন অসমাপ্ত কাজ গুলো বাস্তবায়ন করে ইউনিয়ন বাসীর মুখে হাঁসি ফোটানোর জন্য কাজ করে যাবেন বলে তিনি এমনটাই জানান। বয়স্ক ভাতা কার্ড বিতরণের আগে ইউনিয়ন পরিষদে আসা উপকারভোগীদের মাঝে বিনামূল্যে ১ হাজার মাস্ক বিতরণ করেন তিনি।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নূর আলম সিদ্দিকী, প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মো. মতি মিয়া, সদর উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের সুপারভাইজার মাহমুদুল হাসান, মাঠকর্মী মহসিনা বেগম, ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যসহ উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।