শেরপুরের সেই এ,এস,আই আরিফুজ্জামান সোহাগের বিরুদ্ধে অবশেষে গ্রেফতারী পরোয়ানা

96

জিএইচ হান্নান : শেরপুর জেলার সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব আলীনাপাড়া গ্রামের পুলিশের সেই এ,এস,আই মোঃ আরিফুজ্জামান সোহাগের বিরুদ্ধে অবশেষে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছে সিআর আমলী আদালত। স্ত্রীর দাবী আদায়ের লক্ষ্যে মাষ্টার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী মরিয়ম আক্তার মেরী’র দায়ের করা মামলায় ১৮ অক্টোবর বুধবার দুপুরে বিজ্ঞ চিফজুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ সাইফুর রহমান এ আদেশ দেন।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, সোহাগ অন্য জায়গায় বিয়ে করছে এমন খবর পেয়ে গোপনে বিয়ে ও স্বামী স্ত্রী হিসেবে মেলামেশার সূত্রে এ,এস,আই আরিফুজ্জামান সোহাগের কাছে স্ত্রীর মর্যাদা পাওয়ার দাবী আদায়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সন্ধা থেকে প্রথমবারের মত সোহাগের বাড়িতে মরিয়ম অনশন করলেও কাবিন নামা সাথে না থাকায় ব্যর্থ হয়ে অবশেষে এ,এস,আই আরিফুজ্জামান সোহাগসহ তার পরিবারের আরো ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন শেরপুর সরকারী কলেজের মাস্টার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থী মরিয়ম আক্তার মেরী। লোক মারফত এ,এস,আইয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলায় কিছু হবেনাসহ নানান কথাবার্তা শুনে পুনরায় ২৪ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেল থেকে কাবিন নামা হাতে নিয়ে দ্বিতীয় বারের মতো আমরন অনশন শুরু করে স্বামী আরিফুজ্জামান সোহাগের বাড়ীতে। এসময় শারীরিক ভাবে অসুস্থ্য হয়ে পড়ায় ১৫ অক্টোবর মেরীকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিন দিন চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে ১৮ অক্টোবর হাসপাতালের ছাড়পত্র পেয়ে তার বাবার বাড়িতে ফিরে যায়।

এর আগে স্ত্রীর দাবী আদায়ের লক্ষ্যে সুষ্ঠু বিচার প্রার্থনায় ইন্সপেক্টর জেনারেল, ডিআইজি (ডিসিপ্লিন) ও এ্যাডিশনাল আইজি (এসবি); বাংলাদেশ পুলিশ, পুলিশ হেডকোয়াটার্স-ঢাকায় অভিযোগ দেওয়াসহ যথাযথ কতৃপক্ষের কাছে এএসআই মোঃ আরিফুজ্জামান সোহাগ (১২৫, এসবি-ঢাকা, বিপি-৮৮০৭১২৮৭৪৭) এর বিরুদ্ধে লিখিত আবেদন করে সেই শিক্ষার্থী মরিয়ম আক্তার মেরী। অতঃপর ১৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দঃবিঃ ৮৯৩/৪৯৬/১০৯/৩৪ ধারায় আদালতে মামলা দায়ের করে। বিষয়টি বিজ্ঞ চীফজুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওই নালিশি মামলা দায়ের করা হলে বিজ্ঞ আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান তা আমলে নিয়ে ১৮ অক্টোবর অভিযুক্ত মৃত আনিছুর রহমানের ছেলে এ,এস,আই আরিফুজ্জামান সোহাগসহ তার পরিবারের অপরাপর ৫ জনকে স্বশরীরে আদালতে হাজির হতে সমন জারির আদেশ দেন। এদিকে পরিবারের অন্যান্যরা আদালতে হাজির হলেও এ,এস,আই আরিফুজ্জামান সোহাগ আদালতে হাজির না হওয়ায় তার পরিবারের ৫ সদস্যকে জামিন দিলেও আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।