শেরপুরে একদিনে বজ্রপাতে নিহত ৪, আহত ৪

108

জিএইচ হান্নান : শেরপুর জেলা সদর উপজেলা, নকলা পৌরসভা, শ্রীবরদী উপজেলা ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় ১১ আগস্ট বুধবার দুপুরে মুষলধারে বৃষ্টির সময় পৃথক পৃথক বজ্রপাতের ঘটনায় কৃষকসহ ৪ জন নিহত এবং ৪ জন আহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর দড়িপাড়া গ্রামের আঃ খালেকের ছেলে কৃষি শ্রমিক মোস্তফা ওরফে ঝন্টু (৪০), নকলা পৌরসভার লাভা মহল্লার বদ্দি মিয়ার ছেলে আজিজুল হক (৩৪), শ্রীবরদী উপজেলার গোশাইপুর গ্রামের আঃ হামিদের ছেলে আকরাম (১৪) ও ঝিনাইগাতী উপজেলার মালিঝিকান্দা ইউনিয়নের ইছামারীপাড়া গ্রামের দিনমজুর আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে রাসেল (১৫)।

আহতরা হলেন- সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর দড়িপাড়া গ্রামের মৃত জোসনা আলীর ছেলে আবু সাঈদ (৩৪), একই গ্রামের ফজু মিয়ার ছেলে বদু মিয়া (৩৫), নকলা পৌরসভার লাভা মহল্লার মুক্তার মিয়ার ছেলে হুমায়ুন কবীর (৩০) ও একই মহল্লার আব্দুস সালামের ছেলে বাবু মিয়া (২৮)।

স্থানীয় ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর দড়িপাড়া গ্রামে বুধবার দুপুরের দিকে একই গ্রামের জনৈক ভাসানীর আবাদি জমিতে কৃষি শ্রমিক মোস্তফা ওরফে ঝন্টু মুষলধারে বৃষ্টির সময় ক্ষেতে ধানের চারা রোপণ করছিল। এসময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মোস্তফা ওরফে ঝন্টু নিহত হন এবং সাথে থাকা আবু সাঈদ ও বদু মিয়া বজ্রপাতে আহত হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে তাদের মধ্যে আবু সাঈদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

একইদিন দুপুরে নকলা পৌরসভার লাভা মহল্লায় কৃষক আজিজুল হক তার বাড়ির সম্মুখে রোপা আমন খেতে ধানের চারা রোপণ করছিলেন। এসময় হঠাৎ বজ্রপাতে আজিজুল হক ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং সেই সাথে হুমায়ুন কবীর ও বাবু মিয়া বজ্রপাতে আহত হন।

এদিকে বুধবার দুপুরে শ্রীবরদী উপজেলার গোসাইপুর গ্রামে আকরাম হোসেন নামে এক কিশোর বৃষ্টির সময় বাড়ীর পার্শ্বে খেলার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।

অপরদিকে একইদিন বুধবার দুপুরে মুষলধারে বৃষ্টির সময় ঝিনাইগাতী উপজেলার মালিঝিকান্দা ইউনিয়নের ইছামারী পাড়ায় ট্রাক্টর দিয়ে জমিতে কিশোর রাসেল চাষাবাদ করছিল। এসময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই রাসেল নিহত হয়।

Advertisement
Print Friendly, PDF & Email
sadi