শেরপুরে চালের দাম কিছুটা কমেছে ও.এম.এস চালের দোকানে বেড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের ভীড়

74

জিএইচ হান্নান: সারা দেশ ব্যাপী গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন প্রকার চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় সব শ্রেণি পেশার মানুষের চাল কিনতে নাভিশ্বাস উঠেছে। চালের দাম স্বাভাবিক রাখতে এবং সেই চিন্তা করে সরকার চালের বাজার স্থিতিশীল রাখতেই দেশের জেলা গুলোতে গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে ডিলারদের মাধ্যমে ও.এম.এস দোকানে প্রতিকেজি ৩০ টাকায় চাল বিক্রি শুরু করেছে। এবস্থায় শেরপুরে চালে দাম কিছুটা কমলেও বেড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের ও.এম.এস চালের দোকানে প্রতিদিন ভীড় জমাতে।

খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চালের বাজার স্থিতিশলি রাখতে এবং নিম্ন আয়ের মানুষের কমদামে চাল ক্রয়ের কথা চিন্তা করে সরকার অন্যান্য জেলার মত শেরপুর জেলায় ও.এম.এস চালু করে। এতে শেরপুর জেলা শহরের পৌর সভার ৯টি ওয়ার্ডের জন্য খাদ্য বিভাগ কর্তৃক ৯ জন ডিলার নিয়োগ দেয়া হয়। এসব ডিলাদের মধ্যে খাদ্য বিভাগ প্রতিদিন ৫ জন ডিলারকে ৫টি ওয়ার্ডে তিনদিন করে ১ মেঃ টন চাল বিক্রি এবং মাথা পিছু ৫ কেজি ৩০ টাকা দামে বিক্রির জন্য ওইসব ডিলাদের নির্দেশনা দেয়া হয়। ৯টি ওয়ার্ডে এসব চালের ডিলারা পর্যায়ক্রমে ৩ দিন করে চাল বিক্রি করছে। তবে সরেজমিনে ও.এম.এস দোকানে গিয়ে দেখা যায় শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষ ৩০ টাকার চাল কিনতে প্রতিদিন নারী পুরুষের ভীড় দেখা যায় লক্ষ্যনীয়। দোকান গুলোতে লাইন ধরে চাল কিনতে আসা মানুষের মধ্যে পুরুষের চেয়ে নারীদের সমাগম বেশি। এসব ডিলারদের সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী ৪০০ জন ক্রেতার মাঝে প্রতিদিন চাল বিক্রির অনুমতি রয়েছে এর বিপরীতে ক্রেতার উপস্থিতি বেশী থাকায় অনেকেই চাল না পেয়ে খালী হাতে বাড়ি ফিরে যেতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে পৌর সভার ২নং ওয়ার্ডের নারায়ণপুর এলাকার ও.এম.এস ডিলার তাপস দে ডালিম এ প্রতিনিধিকে জানান, বিভাগীয় শহর সহ অন্যান্য জেলায় ও.এম.এস চালের চাহিদা অনেকটাই কম। তবে জামালপুর শেরপুর জেলায় চাহিদা খুবই বেশী খাদ্য বিভাগ এসব জেলায় ও.এম.এস বরাদ্দ বৃদ্ধি করলে নিম্ন আয়ের মানুষের চাহিদা মেটানো সম্ভব হতো বলে এমনটাই জানালেন।