শেরপুরে তিনটি শিশু ধর্ষণের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারো ধর্ষণের শিকার হলো এক শিশু

44

দেশ বার্তা ডেস্ক: দেশ জুড়ে যখন নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা এবং ধর্ষণের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গণ সচেতনতা গড়ে তোলা হচ্ছে তবুও থামছে না নারী ও শিশু ধর্ষণ। শেরপুর জেলায় গত ৩ সপ্তাহের ব্যবধানে তিনটি শিশু ধর্ষণের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারো শেরপুর জেলার সদর উপজেলার চরশেরপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর দশকাহনীয়া গ্রামে ৬ অক্টোবর শুক্রবার বিকেলে ধর্ষণের শিকার হলো ৩য় শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থী ছব্দ নাম মিলি (১০)।

পুলিশ ও ধর্ষিতা শিশুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার চরশেপুর কৃষ্ণপুর দশকাহনীয়া গ্রামের দিনমজুর আঃ মোতালেব এর মেয়ে ওই শিশু চরশেরপুর দশকাহনীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির শিক্ষার্থী শুক্রবার বিকেলে গ্রামের বাজার থেকে খাদ্যদ্রব্য কিনে বাড়ী ফেরার সময় একই গ্রামের জনৈক হাতুমিয়ার বখাটে ও লম্পট ছেলে দুই সন্তানের জনক জসিম উদ্দিন ওই শিশু মিলিকে রাস্তায় একা পেয়ে ধান ক্ষেতের আড়ালে একটি ঝোপে কৌশলে জোর করে নিয়ে তার মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায়। পরে জ্ঞান হারানো শিশুটি এবস্থায় ধান ক্ষেতের আড়ালে পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে বাড়ী নিয়ে যায়। পরে শিশুটির শাররীক অবস্থায় অবনতি ঘটলে রাতেই তাকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আবাসিক মেডিকেল অফিসার এ প্রতিনিধিকে জানান, শিশুটিকে ধর্ষণের ফলে তার গোপনাঙ্গে জখম হয়েছে, তার ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে।  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই শিশুর সাথে কথা বলে জানা গেছে বাজার থেকে ফেরায় সময় জসিম পিছন থেকে এসে জোর করে মুখ চেপে ধরে ওই স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। এব্যাপারে শেরপুর সদর থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ পেয়েছেন এবং ধর্ষক জসিম উদ্দিন কে একমাত্র আসামী করে ধর্ষিতা শিশুর বাবা আঃ মোতালেব সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। গত ১৯ সেপ্টেম্বর সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নে ৭ বছরের এক শিশু ধর্ষণ হয়। ২৩ সেপ্টেম্বর নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্ত বাতকুচি গ্রামে ১০ বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটে এবং ৩০ সেপ্টেম্ব নকলা উপজেলায় চন্দ্রকোণায় এক প্রতিবন্ধী (১৫) কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়। সর্বশেষ ৬ অক্টোবর সদর উপজেলা ওই শিশুসহ পর পর ৪ শিশু ধর্ষণের শিকার হলো।