শেরপুরে পথ খাবার ও খোলা খাবার না খাওয়ার উপর অবহিতকরণ সভা

49

জিএইচ হান্নান : “সুস্থ যদি থাকতে চান, জাঙ্ক ফুড, পথ খাবার ও খোলা খাবার না খান” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, শেরপুর জেলা স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরো অফিসের আয়োজনে ৯ জুন বুধবার বিকেল ৩টায় এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শেরপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে শেরপুর জেলা জুনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরো অফিসার একেএম ফজলুল হকের সভাপতিত্বে এক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় জাঙ্ক ফুড, পথ খাবার ও খোলা খাবার না খাওয়ার উপর প্রজেক্টরের মাধ্যমে জনসতেনতামূলক প্রদর্শনী দেখানো হয়। এর আগে বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জাঙ্ক ফুড, পথ খাবার ও খোলা খাবার না খাওয়ার জন্য সর্বসাধারণকে সচেতন করার লক্ষ্য ভ্রাম্যমাণ গাড়ী যোগে প্রচার-প্রচারনা করা হয়। এসব প্রচারণার মধ্যে ছিল-

জাঙ্ক ফুড গ্রহণের ফলে আপনার দেহে নেতিবাচক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে যেমন :

জাঙ্ক খাবারে সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকায় মাথাব্যথা এবং মাইগ্রেন বাড়িয়ে তুলতে পারে, জাঙ্ক খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়ায় আপনার হতাশার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে, খাবার গুলোতে থাকা শর্করা এবং চিনি দাঁতের গহ্বর হতে পারে, ভাজা পোড়া খাবার গুলোতে প্রচুর পরিমাণে ট্রান্স ফ্যাট থাকে যা এলডিএল কোলেস্টরেল মাত্রা বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়, ফাস্ট ফুড কর্বোহাইড্রেটে ভরা থাকে, যা রক্তে শর্করা এবং ইনসুলিনের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।

এছাড়াও সোডিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধির ফলে আপনার শরীর অতিরিক্ত পানি ধরে রাখতে পারে এবং এটি শরীর ফুলে যাওয়ার দিকে ধাবিত করে (ইডিমা)

অলস হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়: অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড বা ফাস্ট ফুড যেমন: বার্গার, ফ্রাই এবং মিল্কশেকের মতো ফ্যাটযুক্ত খাবার গুলো অনেক বেশি ক্যালরি সরবরাহ করে যার ফলে প্রায়ই অলসতা অনুভব করে মতো ফ্যাটযুক্ত খাবার গুলো অনেক বেশি ক্যালরি সরবরাহ করে যার ফলে প্রায়ই অলসতা অনুভব করে।

ত্বকের সমস্যা: ফাস্ট ফুড খাওয়ার ফলে ত্বকের ব্রণ বা মেজতা হতে পারে।

শহর এলাকায় উন্মুক্ত পথের খাবার বিক্রি জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় উৎকণ্ঠার বিষয়।

পথের ধারে যারা খাবার বিক্রি করেন তারা সাধারণত দরিদ্র, অশিক্ষিত এবং তাদের নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ, স্যানিটেশন ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, খাবার প্রদর্শন ও পরিবেশনের মানসম্মত পদ্ধতি, হাতে ধোয়া, বহনযোগ্য পানির ব্যবহার ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা কম, যার কারণে ডায়রিয়া, টাইফয়েড, কলেরা, হেপাটাইটিস এ এবং ই এর মতো অন্যান্য পানিবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে এমন প্রচারনার কথা গুলো তুলে ধরা হয়।

এসময় বক্তব্য রাখেন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা শেরপুর জেলা ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক জিএইচ হান্নান।

এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রধান সহকারী খন্দকার মো. বাছেদসহ জেলা শহরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারি শিক্ষক ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।