শেরপুরে বিবাহিতা মহিলাকে বিয়ের প্রলোভনে ফেলে ধর্ষণের অভিযোগে কাজী গ্রেফতার

2038

জিএইচ হান্নান : শেরপুর জেলা সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের বড়ইতার গ্রামের মো. আমিনুল ইসলামের বিবাহিতা মেয়ে ও এক কন্যা সন্তানের জননী (২৫) কে বিয়ের প্রলোভনে ফেলে একই গ্রামের নিকাহ্ রেজিস্টার (কাজী) মো. নিজাম উদ্দিন ওরফে মন্টু কাজী (৩৫) এর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে সদর থানার পুলিশ তাকে ৫ এপ্রিল সোমবার রাত ৮টার দিকে গ্রেফতার করেছে। ধৃত কাজী মো. নিজাম উদ্দিন ওরফে মন্টু সদর উপজেলার বড়ইতার গ্রামের মৃত ইয়াছিন আলীর ছেলে।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার বাজিতখিলা ইউনিয়নের বড়ইতার গ্রামের বাসিন্দা দরিদ্র মো. আমিনুল ইসলামের বিবাহিতা মেয়ে ও এক কন্যা সন্তানের জননীকে ওই ইউনিয়নের নিকাহ্ রেজিস্টার মো. নিজাম উদ্দিন ওরফে মন্টু কাজী বিভিন্নভাবে প্রলোভনে ফেলে। পরে ১২ মার্চ তাকে বাড়ী থেকে ফুসলিয়ে শেরপুর পৌর শহরের চকপাঠক মহল্লার জনৈক পাকিস্তানীর বাসায় নিয়ে আটকে রেখে এবং প্রলোভনে ফেলে তাকে ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে এবং জাল জালিয়াতীর মাধ্যমে বিয়ে করে ওই বাসায় রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এদিকে ভুক্তভোগী ওই নারী মন্টু কাজীকে তার বাড়ীতে নিয়ে যেতে বললে সে তালবাহানা শুরু করেন। পরে এক পর্যায়ে ওই নারীকে মন্টু কাজী তার বাড়ী নিয়ে যাবে বলে পৌর শহরের নবীনগর আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল এলাকায় রেখে পালিয়ে যায়। এদিকে মোবাইল ফোনে ওই নারী মন্টু কাজীকে বিয়ের কথা বললে সে অস্বীকার করে বসেন এবং সে তাকে বিয়ে করেনি।

অপরদিকে মন্টু কাজীর ভুয়া কাবিননামা তৈরি এবং জাল জালিয়াতীর বিষয়টি টের পেয়ে ভুক্তভোগী ও প্রতারিত ওই নারী বাদী হয়ে মো. নিজাম উদ্দিন ওরফে মন্টু কাজীর বিরুদ্ধে শেরপুর সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ তাকে সোমবার রাতে গ্রেফতার করে। পরদিন ৬ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে ধৃত মো. নিজাম উদ্দিন ওরফে মন্টু কাজীকে আদালতে সোপর্দ করেছে সদর থানার পুলিশ।