শেরপুরে মাছের দাম স্বাভাবিক থাকলেও চাল, সবজী সহ নিত্য পণ্যের অস্বাভাবিক দামে নাভিশ্বাস উঠেছে নিম্ন আয়ের মানুষের

68

স্টাফ রিপোর্ট: শেরপুর জেলা সদর সহ পাঁচ উপজেলার নকলা, নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদীর বাজারে চালের দামে নিম্ন আয়ের ও মধ্যবিত্ত মানুষ অস্বস্তিতে নাভিশ্বাস। তবে মাছের দাম স্বাভাবিক থাকলেও গরু ও খাসীর মাংস ও সবজী দাম বেশ চড়া। স্বস্তি নেই অন্যান্য নিত্য পণ্যের দামেও। নানা অজুহাতে এসব পণ্যের দাম বাড়ালেও পরবর্তীতে দাম কমার সম্ভাবনা থাকে খুবই কম। এতে করে নিত্য পণ্যের বাড়তি দামে জেলার নিম্ন শ্রেণি শ্রমিক ও মধ্যবিত্ত মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।

ইদুল আযহার পর থেকেই ক্রমাগত প্রকার ভেদে চালের দাম বেড়ে গরীব নিম্ন আয়ের মানুষের মোটা চাল ৪৮ টাকা কেজি, মাঝারি আটাশ চাল ৫২ টাকা কেজি এবং নাজির চাল ৬২ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে চাল দাম কিছুটা কমলেও এর সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শাক, সবজী ও কাঁচা মরিচের দাম। জেলার সব বাজারে সবজীর দাম এমনটাই অগ্নি মূল্যে বেগুনে আগুন ধরেছে প্রতি কেজি ৯০ টাকা, কাকরোল ৭০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ১০০ টাকা, গাঁজর ও টমেটোর কেজি ১০০/১২০ টাকা, আলু পূর্বের দাম ২০ টাকা কেজি রয়েছে, পেঁপে ২০ টাকা, মুখী কঁচু ২৫/৩০ টাকা, পটল ৫০/৬০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, ঢেঁরস ৮০ টাকা, শীতের সবজি ফুলকপি ১০০ টাকা, পাতাকপি ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ৫০ টাকা কেজি দরের কাঁচা মরিচ প্রতিকেজি ২০০ টাকা, পেঁয়াজ ৪০ টাকা, রসুন ৭০/৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অপর দিকে গরুর মাংস কেজি ৫০০ টাকা, খাসী মাংস ৭০০ টাকা এবং অপরি বর্তিত রয়েছে বয়লার মুরগীর দাম কেজি ১৩০ টাকা, কর্ক মুরগী ১৯০/২০০ টাকা কেজি। সবজী ব্যবসায়ীরা বলছেন শুধু শেরপুর নয় সাবা দেশে সম্প্রতি দু’দফা বন্যার কারণে কৃষক সবজীর চাষ করতে পারেনি এজন্যই সবজীর বাজার অগ্নিমূল্যে হয়েছে। তবে কার্তিক মাসের প্রথম সপ্তাহের দিকে শীতের সবজী বাজারে উঠতে শুরু করলেও খুব একটা দাম কমার সম্ভাবনা নেই এমনটাই মন্তব্য সবজী ব্যবসায়ীদের।