শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় পা হারানো অন্ধ হাফেজের পাশে দাঁড়ালো ‘নঅসস’

50

জি.এইচ হান্নান : সড়ক দূর্ঘটনায় পা হারানো অন্ধ হাফেজ ইউসুফ আলীর পাশে দাঁড়িয়েছে নকলা অসহায় সহায়তা সংস্থা (নঅসস) সংস্থার সাথে একাত্বতা পোষন করেছেন সাদা মনের বেশকিছু হিতৈষী ও ‘নঅসস’র কর্মকর্তা মানবাধিকারকর্মী সহ অনেকেই আগস্ট শুক্রবার সকালে ইউসুফ আলীকে দেখতে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান

  সময় জীবন যুদ্ধে সহায়ক হতে ইউসুফ আলীর স্ত্রীকে একটি সেলাই মেশিন ভাড়া দিয়ে টাকা উপার্জন করতে একটি আটো রিক্সা কিনে দিতে আশ্বাস দেন তাঁরা সড়ক দূর্ঘটনায় ডান পা হারানো অন্ধ হাফেজ মোঃ ইউসুফ আলীকে যারা হাসপাতালে দেখতে সহযোগিতা করতে গিয়েছিলেন সাদা মনের এমন হিতৈষীরা হলেনশেরপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, অগ্রণী ব্যাংকের অবসর প্রাপ্ত জিএম শেরপুর সরকারী কলেজের সাবেক ভিপি আবু সালেহ মোঃ নূরুল ইসলাম হিরু, শেরপুর জেলা মানবাধিকার কমিশনের সভাপতি শেরপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা রাজিয়া সামাদ ডালিয়া, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এফ এম কামরুল আলম রঞ্জু মোঃ রেজাউল করিম রিপন; শিক্ষক সাংবাদিক মোঃ মোশারফ হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল আজাদ ডেভিড, চরঅষ্টধর ইউনিয়নের যুবনেতা শফিকুল ইসলাম নকলা অসহায় সহায়তা সংস্থার সভাপতি শামীম আহমেদ প্রমুখ

 জানা গেছে, শেরপুর সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের চৈতনখিলা গণই মমিনাকান্দা গ্রামের তাজউদ্দিনের ছেলে অন্ধ হাফেজ মোঃ ইউসুফ আলী (২৭) গত ১৪ জুলাই রাত দিকে জামালপুর থেকে বাড়িতে আসার পথে শেরপুরজামালপুর ফিডার রোডের ছয়ঘড়িয়াপাড়া এলাকায় যাত্রীবাহী দুটি সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তার ডান পা বেশি ক্ষতবিক্ষত হওয়ায় পায়ের এমন অবস্থায় কর্তব্যরত ডাক্তার তার ডান পায়ের হাঁটুর উপর পর্যন্ত কেটে ফেলতে বাধ্য হন এদিকে দরিদ্র ইউসুফ আলীর পরিবারে বৃদ্ধ বাবামা, স্ত্রী মাস বয়সী একটি মেয়ে নিয়ে অনাহারেঅর্ধাহারে কোন ক্রমে দিন কেটে যাচ্ছিল নুন আনতে পান্তা ফুরায় এমন অবস্থায় সংসারে নেমে আসে সোচনীয় অবস্থা পরে বিষয়টি জানতে পেরে ‘নঅসস’র কর্মকর্তা সহ হিতৈষী ব্যক্তিরা তার পাশে সহযোগীতা করতে এগিয়ে আসে