শ্রীবরদীতে হতদরিদ্রদের মাঝে বিংস্ প্রকল্প ওয়ার্ল্ড ভিশনের ছাগল বিতরণ

53

তাসলিম কবির বাবু : শেরপুর জেলার শ্রীবরদী উপজেলাতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের বিংস্ প্রকল্পের উদ্যোগে হতদরিদ্র ও অসহাদের মাঝে ছাগল বিতরণ করা হয়েছে। ৯ জুন বুধবার দুপুরে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অর্থায়নে বাংলাদেশ ইনিশিয়েটিভ টু এনহান্স নিউট্রিশন সিকিউরিটি এন্ড গভর্নন্স (বিংস্) প্রকল্প, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ শ্রীবরদীর উদ্যোগে শ্রীবরদী উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নে ভায়াডাঙ্গা কওমী মাদ্রাসা মাঠে হতদরিদ্রদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ছাগল বিতরণ করা হয়।

এ উপলক্ষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) আতাউর রহমান। এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি ওয়ার্ল্ড ভিশন দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে যা প্রশংসার দাবীদার। বিংস্ প্রকল্প ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী মা, পাঁচ বছরের নিচে শিশু ও কিশোরীদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। সেই সাথে দরিদ্র ও অসহায় জনগণ ছাগল পালনের মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিক পরিবর্তন করে স্বাস্থ্য ও পুষ্টিগত অবস্থার উন্নয়ন করার জন্যও কাজ করে যাচ্ছে। পরবর্তীতে তিনি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ২টি করে ছাগল তুলে দেন।

এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ২নং রানীশিমুল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: মাসুদ রানা, বিংস্ প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী সুজিত চিসিম, উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর একেএম মাসুদুর রহমান, উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো আব্দুল করিম সরকার, স্বাস্থ্য পরিদর্শক (ইনচার্জ) মো: মোজাম্মেলক হক মানিক, উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জাহিদ সম্রাট, রানীশিমুল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য মোকারম হোসেন মুক্তা, ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুর রহিম রিপন এবং বিংস্ প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসার রাম প্রসাদ ঘোষ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, শ্রীবরদী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গর্ভবতী মা, দুগ্ধদানকারী মা, পাঁচ বছরের নিচে শিশু-কিশোরী আছে, এমন ক্যাটাগরির হতদরিদ্র দলের ৮০০টি সদস্যদের মাঝে ২টি করে মোট ১৬০০টি ব্ল্যাক বেঙ্গল প্রজাতির ছাগল দেয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৫৭০টি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে মোট ১১৪০ টি মাদী ছাগল প্রদান করা হয়েছে। ছাগল বিতরণে উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে সুস্থ ও রোগমুক্ত ছাগল বাছাই এবং পরবর্তীতে টিকা প্রদানে সর্বাত্মক সহায়তা করা হবে।