সংকটে থাকা মুক্তিযোদ্ধার অসহায় হার

23

আদালতের নিষেধাজ্ঞায় কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের নির্বাহী কমিটি বাতিল হওয়ায় অভিভাবকহীন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র। এমন অবস্থায় চাপা আতঙ্কে ফুটবলাররা। সাইনিং মানির পর আর কোনো টাকা পাননি তারা। এতো সব সংকটের মধ্যে মন্ত্রীর আশ্বাসে ফুটবলারর মাঠে ফিরলেও মুক্তিযোদ্ধার খেলায় প্রান ছিলো না। ফিটনেসেও ঘাটতি ছিলো ফুটবলাররদের। আক্রমণেও ছিল না চেনা ধার। সুযোগটা কাজে লাগিয়ে ছন্দময় ফুটবল খেলতে থাকে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্রকে অনায়াসে হারিয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) শুভসূচনার করল শফিকুল ইসলাম মানিকের দল। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে গতকালের ম্যাচে ৩-০ ব্যবধানে জিতে। খালেকুরজ্জামান সবুজের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর অষ্টম স্থানে থেকে গত লীগ শেষ করা দলকে জোড়া গোল এনে দেন দাউদা সিসে।
প্রথমার্ধে মুক্তিযোদ্ধার বলারমতো আক্রমন ছিলো ম্যাচের ২৩তম মিনিটে। কিন্তু মনির আলমের জোরালো শট পোস্টের বাইরে যায়। এরপর একটু একটু করে শেখ রাসেলের খেলায় গতি ফেরে গতি ফেরে। তিন মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে ম্যাচের লাগাম মুঠোয় নেয় দলটি। ৩৩তম মিনিটে মাঝ মাঠ থেকে সতীর্থের লম্বা করে বাড়ানো বলে দুই ডিফেন্ডারের মাঝ থেকে নিখুঁত হেড করেন খালেকুরজ্জামান।দ্রুত দৌড়ে আসা গোলরক্ষক উত্তম বড়ুয়ার মাথার ওপর দিয়ে বল ঠিকানা খুঁজে পায়। মিনিট তিনের পরেই মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন দাওদা সিসে। প্রতিপক্ষের তিন ডিফেন্ডারকে বোকা বানিয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শটে কাছের পোস্ট দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন এই গাম্বিয়ার ফরোয়ার্ড। দুই গোল হজমের পর কিছুটা জেগে ওঠে মুক্তিযোদ্ধা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দুর্ভাগ্যের কারণে ম্যাচে ফেরা হয়নি তাদের। ডান দিকে থেকে সৈকত মাহমুদ মুন্নার শট দূরের পোস্টে লেগে ফেরে। ম্যাচের ৭৮তম মিনিটে মুক্তিযোদ্ধার ম্যাচে ফেরার আশা অনেকটাই শেষ হয়ে যায়। ফাঁকা পোস্টে বল পেয়েও নিজে শট না নিয়ে আলমগীর কবির রানা কাট ব্যাক করেন দাউদাকে। লক্ষ্যভেদে ভুল হয়নি গাম্বিয়ার এই ফরোয়ার্ডের।

Advertisement
Print Friendly, PDF & Email
sadi