স্বরূপে ফিরলেন ভিলিয়ার্স

31

২ রানে জীবন পেয়েই এবি ডি ভিলিয়ার্স ডানা মেলেন। তার সেই ডানার ঝাঁপটানিতে অসহায় হয়ে পড়ে বাংলাদেশ দলের বোলাররা। মাত্র ১০৪ বল খেলে তুলে নেন ১৭৬ রান। ৩৪ বলে ৫০ আর ৬৮ বলে ১০০। ১৫টি চারের সঙ্গে হাঁকালেন ৭টি ছয়ের মারও। রুবেল হোসেন তাকে না থামালে হয়তো গতকালই স্বদেশি গ্যারি কারস্টেনের অপরাজিত ১৮৮ রানের রেকর্ড ভেঙে শীর্ষে চলে যেতেন।

টাইগারদের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে ছিলেন না। সেই সঙ্গে ওয়ানডেতেও তার সময়টা কাটছিল বেগতিক। ব্যাটে ঝড় তোলা যেন ভুলেই যাচ্ছিলেন। ২০১৬ ফেব্রুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কেপটাউনে ১০১ রানের  অপরাজিত ইনিংসটাই ছিল তার ওয়ানডেতে ২৪তম ও শেষ সেঞ্চুরি। তাই নিজেকে স্বরূপে ফেরাতে মরিয়া ছিলেন। অবশেষে ফিরলেন বাংলাদেশের বিপক্ষে। ১২৪ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এটি তার ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংসও। এর আগে ক্যারিয়ারে দেড়শ’ ছাড়ানো ইনিংস ছিল একটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অপরাজিত ১৬২ রান করেছিলেন ২০১৫-তে। প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ডু প্লেসি ১৮৫ ও ডি কক ১৭৮ রানের ইনিংস খেলে রয়েছেন তার উপরে।
জোড়া উইকেটের পর আরও একটি উইকেট পেতে পারতেন সাকিব আল হাসান। সেটি হতে পারত আরো বড় উইকেট। এতে হয়তো প্রোটিয়ারাও থামতে পারতো ৩শ’র আগেই। কিন্তু হয়নি। সাকিবের স্টাম্প সোজা আর্ম ডেলিভারিতে কাট করেছিলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। ব্যাটের কানায় লেগে বল স্লিপে কিন্তু হাত বাড়িয়ে তা  ছুঁতেই পারেননি নাসির হোসেন। তখন ২০ ওভার শেষে দক্ষিণ আফ্রিকা ২ উইকেটে ১০০।
সেখান থেকে তিনি যখন আউট হন তখন দলের স্কোর ৩৪৩ রান। বাংলাদেশের বিপক্ষে এটি তার প্রথম ওয়ানডে সেঞ্চুরি। এ পর্যন্ত টাইগারদের বিপক্ষে ৮ ম্যাচ খেলেছেন  যার মধ্যে ৬ ইনিংসে ব্যাট করার সুযোগ হয় তার। যেখানে ২০০৮ এ ঢাকায় করা অপরাজিত ৬৯ রানই ছিল সর্বোচ্চ। ১০০ রান করতে ১০ চারের সঙ্গে ছিল মাত্র ১টি ছয়ের মার। বাকি ৭৬ রান করতে খেলেন ৫টি চারের সঙ্গে ৬টি ছয়ের মার। পরের ৫০ রান করতে খেলেন মাত্র ২৬ বল। হয়তো এমন ঝড়েই রানে ফিরতে চেয়েছিলেন তিনি।