১৪ জুন, বিশ্ব রক্ত দাতা দিবস : স্বেচ্ছায় রক্তদান বিনা খরচায় সর্বোত্তম মানবসেবা

95

অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ :

মানুষ মাত্রই আশরাফুল মাখলুকাত। একজন মানুষ যার মধ্যে ন্যূনতম মানবিকতা ও বিবেক-বুদ্ধির অস্তিত্ব আছে, তার হৃদয়ে অবশ্যই মানুষের উপকারে নিজেকে উৎসর্গের একটি বাসনা প্রকাশ্য না হলেও সুপ্ত অবস্থায় বিরাজ করে। তাই স্বভাবতই পীড়িত অপর একজন মানুষের দুঃখ-কষ্টে আমরা ব্যথিত হই, উদ্বিগ্ন হই এবং এক ধরনের সহমর্মিতা অনুভব করে থাকি। তাই আমাদেরও মনে ইচ্ছে জাগে বিপন্ন ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর, তাড়না বোধ করি তাদের তরে কিছু একটা করার। কিন্তু চাইলেই কি কিছু একটা করে ফেলা যায়। এজন্য চাই আর্থিক সামর্থ্য, সহায়ক সামাজিক পরিবেশ, সমমনা সুহৃদদের ঐকান্তিক সমর্থন এবং সর্বোপরি সময় ও সুযোগের সমন্বয়। দুঃখজনক হলেও সত্যি মানবকল্যাণের মহতি ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও এতকিছু মোকাবেলা করে তাই আমাদের অনেকের পক্ষেই শেষ পর্যন্ত আর ভালো কিছু করা হয়ে উঠে না।

স্বেচ্ছায় রক্তদান এ ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী একটি সেবা। এটি মানুষের সেবায় নিজেকে নিঃস্বার্থভাবে নিয়োজিত করার উৎকৃষ্ট একটি উপায়। কারণ এ কাজটি করতে কোন আনুষ্ঠানিকতা কিংবা অন্যের সহায়তার প্রয়োজন পড়ে না। প্রয়োজন পড়ে না কোনরুপ খরচাদি কিংবা শারীরিক পরিশ্রমের। এটি এমন একটি মহান সেবাধর্মী কাজ যা করতে একজন মানুষের শুধুমাত্র ইচ্ছাটুকুই যথেষ্ট। শুধুমাত্র আপনার সামান্য ইচ্ছার কারণেই জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে অবস্থান করা একজন মুমুর্ষু মানুষ ফিরে পেতে পারেন নব জীবন। ফিরিয়ে আনতে পারেন উৎকন্ঠিত স্বজনদের মুখের হাসি। রক্তদানের মধ্য দিয়ে আপনি একজনের শুধু উপকারই করলেন বিষয়টি এত সীমাবদ্ধ নয়। কারণ একজনকে রক্তদানের মাধ্যমে আপনি নিশ্চিতভাবেই লাভ করবেন এক অসাধারণ স্বর্গীয় অনুভূতি। যা শুধু একজন রক্তদাতাই উপলব্ধি করতে সক্ষম হবেন।

দু’একটি উদাহরণ দেই, ২০১১ সনের জুন মাসের প্রথম সপ্তাহের কোন একদিন সকালে আমার মোবাইল ফোনের রিংটোন বেজে উঠল। অচেনা একটি নম্বর থেকে আসা ইনকামিং কলটি রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে ডায়ালকারী লোকটি নিজেকে কুতুব উদ্দিন শামীম, হবিগঞ্জ স্পন্দন ব্ল¬াড ডোনার ক্লাবের সমন্বয়ক হিসেবে পরিচয় দিলেন। কুশলাদি বিনিময়ের পর শামীম জানালেন আগামী ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস ও একই সাথে তাঁদের সংগঠনের তৃতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আমাকে সংবর্ধনা দিতে চান। শুনে আমি কিছুটা বিষ্মিত হয়ে এর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলে¬ন, আপনি জীবনে বহুবার রক্ত দিয়েছেন, এটা আমরা পত্রিকা পড়ে জেনেছি। আপনার রক্তদানের বিষয়টি আমাদের সংগঠনেরও সবাই জানে এবং বিষয়টি আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে। তাই আমরা আপনাকে দেখতে ও সংবর্ধনা দিতে চাই। প্রথমে কিছুটা অমত করলেও শামীমের নাছোড়বান্দা ভূমিকার জন্য শেষে কথা দিতে বাধ্য হলাম।

 

ফোনের সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করার পর মনে পড়ল প্রথমআলো পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টের কথা। ২০০৮ সনের ১০ মে প্রকাশিত প্রথম আলো সংখ্যার প্রথম পৃষ্ঠায় ‘রক্তের অভাব পড়ে না কিশোরগঞ্জে’ শিরোনামে একটি ফিচার ছাপা হয়েছিল। ফিচারে ১৩টি উপজেলা নিয়ে কিশোরগঞ্জের মত একটি বড় জেলায় কোন ব্লাড ব্যাংক না থাকা সত্বেও স্থানীয় সংগঠন ঈশা খাঁ ব্ল¬াড ডোনার ক্লাবের সদস্যরা কিভাবে স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে বিপন্ন রোগীদের সহায়তায় এগিয়ে আসে তা বিস্তারিতভাবে লেখা হয়েছিল। উক্ত রিপোর্টে আমার ৪০ বারের বেশি রক্তাদানের বিষয়টি লেখা হয়েছিল। অবশ্য রিপোর্ট প্রকাশের পরও আজ অবধি নিয়মিতভাবে রক্তদান করে আসছি।
যাই হোক, ১৪ই জুন আমি হবিগঞ্জে স্পন্দন ব্লাড ডোনার ক্লাবের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে যোগ দেই। আমার সাথে ছিলেন কিশোরগঞ্জে স্বেচ্ছায় রক্তদান আন্দোলনের পথিকৃৎ ঈশা খাঁ ব্লাড ডোনার ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ¯েœহভাজন অনুজ মো. রফিকুল ইসলাম। জেলা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে আমাকে ক্রেস্ট প্রদানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধিত করা হয়। যাই হোক, এ লেখার উদ্দেশ্য আমার নিজের গুণকীর্তন করা নয়। বরং রক্তদানের মহাত্ম ও এর অসীম গুরুত্ব তুলে ধরা। কারণ উপরের ঘটনাটি এ ক্ষেত্রে আমাকে আরো অনুপ্রাণিত করেছে।

প্রসঙ্গত মনে পড়ে বহু বছর আগে ছেড়ে আসা আমার স্কুলের অত্যন্ত প্রিয় এক শিক্ষক সদ্য প্রয়াত এমএ বারী স্যারের কথা। বেশ কয়েক বছর আছে বারী স্যার কঠিন অসুখে আক্রান্ত হয়ে পড়েন। এক সময় স্যারের রক্তের প্রয়োজন হলে আমি রক্তদান করি। রক্তদানের পর এক সময় আল্লাহর রহমতে তিনি সুস্থ হয়ে উঠলেন। কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর যখন উনাকে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে দেখে যে আনন্দ অনুভব করতাম তা অন্য কেউ বুঝবেন না। এ ছাড়া একজন সদ্য পিতৃহারা তরুণ যখন রাস্তায় আমাকে পেয়ে পরম আবেগে বলে আপনাকে দেখে আমার প্রয়াত বাবার কথা মনে পড়ে, আপনি মুত্যুশয্যায় তাঁকে রক্ত দিয়েছিলেন – এই আবেগের অর্ন্তনিহিত তাৎপর্য অন্য কারো পক্ষে উপলদ্ধি করা সম্ভব নয়। এক মুমুর্ষু বৃদ্ধা মহিলাকে রক্ত দেয়ার জন্য যাওয়ার পর উনার পুত্র-কন্যারা আমাকে দেখতে এসে যেভাবে মমতার দৃষ্টি নিয়ে আমার পাশে দাড়ালেন যে আমি আপ্লুত হয়ে পড়লাম।

রক্তদানের কারণে রক্তগ্রহিতার পরিবারের সঙ্গেও এক ধরণের বিনিসূতার বন্ধন গড়ে উঠে। চতুর্থ শ্রেনীর একজন ছাত্রী দুরারোগ্য থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হলে তার নিয়মিত রক্তের প্রয়োজন পড়ে। গত পাঁচ বছর ধরে আমি তাকে নিয়মিত রক্ত দিয়ে আসছি। চিকিৎসকের পরামর্শমত তাকে দেশের বাইরে নিয়ে চিকিৎসা করাতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। কিন্তু অভিভাবকদের সঙ্গতি না থাকায় তা সম্ভব হচ্ছে না। ব্যাপারটি আমাকে পীড়িত ও ব্যথিত করে। এখন আমার মনের অজান্তেই আমি ওই পরিবারের অংশ হয়ে গেছি। কিছুদিন আগে তার পিতাও পৃথিবী থেকে চিরবিদায় নিয়েছেন। মেয়েটির চিকিৎসার সহায়তায় আমিও আমার সামর্থমত কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। স্বীকার করতে দ্বিধা নেই এতে খুব একটা সফল হইনি। কবু এই বাঁধনের মূল্যও কোন কিছু দিয়ে পরিমাপ করা যাবে না।
তবে রক্তদান নিয়ে একটি বিরাট দুঃখ আমাকে কুরে কুরে খায়। আমার প্রয়াত মা এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। দিনটি ছিল ২০১৪ সালের ১ মার্চ। সকালে চিকিৎক জানালেন রোগীর অবস্থা আশংকাজনক, জরুরী রক্ত লাগবে। মা ও আমার রক্তের একই গ্রুপ, তাই রক্ত দিতে চাইলাম। কিন্তু মাত্র কয়েকদিন আগে আরেকজনকে রক্ত দিয়েছি শুনে চিকিৎসক আমার রক্ত নিলেন না। ঐদিন সন্ধ্যায় আমার মা পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চিরবিদায় নিলেন। জীবনে চেনা-অচেনা কত কত মানুষকে রক্ত দিলাম, অথচ মৃত্যুশয্যাশায়ী আমার মায়ের প্রয়োজনে রক্ত দিতে পালাম না। এই দুঃখবোধ আমাকে সব সময় তাড়া করে, এই দুঃখ ভুলার নয়।
যাই হোক ইতিহাস সূত্রে জানা যায়, প্রথম রক্ত দেয়া হয়েছিল ১৪৯২ সালে রোমের সপ্তম পোপের শরীরে। তবে সে রক্ত পরিসঞ্চালন সফল হয়নি। পোপের মৃত্যু হয়েছিল সেই রক্ত দেয়ার কারণে। প্রথম সফল রক্ত পরিসঞ্চালন হয় এর ৩২৬ বছর পর ১৮১৮ সালে। সন্তান জন্মদানের সময় প্রসব পথে প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যু পথযাত্রী এক মহিলার শরীরে রক্ত পরিসঞ্চালন করেন জেমস বান্ডেল নামে এক বৃটিশ প্রসূতিবিদ। রক্তটা সিরিঞ্জ দিয়ে নেয়া হয়েছিল ওই মহিলার স্বামীর শরীর থেকে। পরে পুনরায় সিরিঞ্জ দিয়ে সরাসরি ওই রক্ত দেয়া হয়েছিল মহিলার শরীরে। ১৯০১ সালে অস্ট্রিয়ান চিকিৎসা বিজ্ঞানী কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার রক্তের বিভিন্ন গ্রুপ আবিষ্কারের পর আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মতভাবে রক্তদান শুরু হয়। তবে এর আগে রক্তদান পদ্ধতি নিরাপদ ছিল না। কারণ ভিন্ন গ্রুপের রক্ত শরীরে নিলে মৃত্যু হতে পারে, তখন পর্যন্ত বিষয়টি জানা ছিলনা। এতে করে প্রায়ই জীবনহানিসহ বিভিন্ন জটিল সমস্যা দেখা দিত। কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার দ্ধারা প্রমান করেন যে দাতা ও গ্রহীতার রক্তের গ্রুপ একই না হলে গ্রহীতার মৃত্যু হতে পারে। এই আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩০ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। এরপরই শুরু হয় নিরাপদ রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ওসহেলান্ড হোপ রবার্টসন নামের এক আর্মি অফিসার সর্বপ্রথম ব্লাড ব্যাংকের প্রচলন করেন। এর পলে রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়ায় নতুন দিগন্তের সূচনা হয়। ২০০৪ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৫৮ তম অধিবেশনে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনারের জন্মদিন ১৪ জুনকে বিশ্ব রক্তদাতা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

 

সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায় সারা বিশ্বে প্রতি বছর ৯ কোটি ৩০ লাখ ব্যাগ রক্ত সংগ্রহিত হয়। এর ৫০ শতাংশ সংগ্রহিত হয় উন্নত দেশ থেকে, যারা সারা বিশ্বের জনসংখ্যার মাত্র ১৬ শতাংশ। উন্নত বিশ্বে প্রতি হাজারে স্বেচ্ছায় রক্ত দেয় ৪শত ৫০ জন। অপর দিকে উন্নয়নশীল দেশে মাত্র ৩ জন। অনেক দেশেই এখনও রক্তের চাহিদা ও প্রাপ্যতার মধ্যে রয়েছে বিশাল ব্যবধান। এ ব্যবধান কমিয়ে আনার একমাত্র উপায় হচ্ছে স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে স্বয়ং সম্পূর্ণতা অর্জন করা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে কোন দেশের এক শতাংশ মানুষ যদি স্বেচ্ছায় রক্ত দেয় তাহলে সে দেশের রক্তের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত নিরাপদ রক্ত পরিসঞ্চালন কর্মসূচীর পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যায় বাংলাদেশে বছরে ছয় লাখ ব্যাগ রক্তের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে চার লাখ ব্যাগ (যা শতকরা হিসাবে ষাট ভাগ) রক্তের চাহিদা মিটিয়ে থাকেন স্বেচ্ছায় রক্তদানকরীরা। বাকী চল্লি¬শ ভাগ চাহিদা পূরণে দ্বারস্থ হতে হয় পেশাদার রক্তদানকারীদের কাছে। মনে রাখা ভালো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত পেশাদার রক্তদানকারীদের কাছ থেকে রক্ত গ্রহন রোগীর জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তবে আশার কথা, স্বেচ্ছায় রক্তদাতার সংখ্যা গত ১০ বছরে ১০ থেকে বেড়ে ৩০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তারপরও এ দ্বারা রক্তের চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না। ফলে রক্তের অভাবে অনেক রোগী মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়ছেন। আমাদের পার্শ্ববর্তী থাইল্যান্ডে স্বেচ্ছায় রক্তদাতার হার ১০০ শতাংশ এবং ভারতে ৬৫ শতাংশ। তাই দেখা যায় এ ক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে। এ থেকে প্রমানিত হয় নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্ত দেওয়ার মানসিকতায় ঘাটতি রয়েছে আমাদের দেশের মানুষের মাঝে ।

 

জেনে রাখা ভালো, ১৮ থেকে ৫৭ বছর বয়স্ক প্রত্যেক সুস্থ নারী ও পুরুষ যাদের রক্তের হিমোগ্লে-াবিনের পরিমান ৭৫ শতাংশের উপরে, হৃদস্পন্দনের হার ৬০-১০০ বার, শরীরের ওজন কমপক্ষে ৫০ কেজি এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিক তিনি স্বচ্ছন্দে প্রতি চার মাস অন্তর রক্ত দিতে পারেন।

মনে রাখতে হবে রক্তদানের পর মাত্র দুই গ্ল¬াস পানি পান ও আধ ঘন্টার বিশ্রাম আপনাকে স্বাভাবিক করে তুলবে। অথচ এর ফলেই সহজে বেঁচে যাবে অন্য আরেকজন মানুষের জীবন। ভুলে গেলে চলবে না শুধুমাত্র রক্তই রক্তের বিকল্প হতে পারে, অন্যকিছু নয়। অনেক চেষ্টা করেও বিজ্ঞানীরা কৃত্রিম রক্ত আবিস্কার করতে এখনো সক্ষম হননি। তাই রক্ত একটি অমূল্য সম্পদ। সুপ্রিয় পাঠক, রক্ত মানুষের জীবন রক্ষা করে – এ মূল্যবোধ জাগ্রত থাকুক সব সময়ের জন্য।

লেখক : সাংবাদিক ও আইনজীবী।