১৭ দিনের ছুটিতে যাচ্ছেন ট্রাম্প

20

সতের দিনের জন্য অবকাশ যাপনে হোয়াইট হাউজ ছেড়ে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তার ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে যখন এফবিআই রাশিয়া কানেকশনের তদন্ত জোরালো করেছে তখনই এই অবকাশ যাপনে যাচ্ছেন তিনি। আগে তিনি বলেছিলেন, এমন অবকাশ তিনি কখনো নেবেন না। এর আগে ক্ষমতার প্রথম মেয়াদের প্রথম বছরে ম্যাচাচুসেটসে মার্থাস ভিনেয়ার্ডে সফর করতে গিয়েছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তিনি সেখানে যে কয়দিন অবকাশ কাটিয়েছিলেন ট্রাম্প তার চেয়ে দ্বিগুন সময় অবকাশ নিচ্ছেন। তিনি যাবেন নিউ জার্সির বেডমিনস্টারে নিজের গলফ ক্লাবে। ওদিকে রাশিয়ার সঙ্গে তার নির্বাচনী টিমের গোপন বোঝাপড়া নিয়ে তদন্তের অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় গ্রান্ড জুড়িদের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন এ বিষয়ে স্পেশাল প্রসিকিউটার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত রবার্ট মুয়েলার। আরেক রিপোর্টে বলা হয়েছে,ত এফবিআইয়ের সাবেক পরিচালক জেমস কমি’কে মে মাসে বরখাস্ত করেন ট্রাম্প। এর মাধ্যমে তিনি ন্যায়বিচারের পথে বাধা সৃষ্টি করেছেন কিনা তা খতিয়ে দেখছেন রবার্ট মুয়েলার। এ ছাড়া ২০১৬ সালের জুনে ক্রেমলিনের একজন আইনজীবী, ডনাল্ড ট্রাম্পের বড় ছেলে ডনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র, নির্বাচনী প্রচারণা বিষয়ক ম্যানেজার পল ম্যানাফোর্ট ও জামাই জারেড কুশনারের বৈঠকের বিষয়েও খোঁজখবর নিচ্ছেন রবার্ট মুয়েলার। যুক্তরাষ্ট্রে কি ঘটে তা দেখা যাবে আগামী দু’সপ্তাহে। এমনটা বলেছেন নিউ ইয়র্কে অবস্থিত ফোর্ডহ্যাম ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহযোগী প্রফেসর ক্রিস্টিনা গ্রিয়ার। তিনি বলেন, এ দু’সপ্তাহে মুলেয়ার ও তার টিমের ভাবমূর্তি খর্ব করার চেষ্টা করা হতে পারে। ট্রাম্প চান তার আর্থিক বিষয়গুলো মানুষ না জানুক। ওদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অব্যাহতভাবে দাবি করে যাচ্ছেন, নির্বাচনী প্রচারণা টিম ও রাশিয়ার মধ্যে সমঝোতার কোনো ঘটন্টাি ঘটে নি। তিনি আরো বলেছেন, জুলাই মাসে জার্মানির হামবুর্গে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে দু’ঘন্টারও বেশি এ ইস্যুতে তিনি চাপ দিয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে। বৃহস্পতিবার রাতে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার হান্টিংটনে সমাবেশ করেছেন ট্রাম্প। সেখানেও তিনি বলেছেন, আমাদের নির্বাচনী প্রচারণা কোনো রাশিয়ান ছিলেন না এটা বেশির ভাগ মানুষই জানেন। আমরা রাশিয়ার কারণে বিজয়ী হই নি। আমরা আপনাদের কারণে জিতেছি।